গত কয়েক বছরে ভারত এবং চিনের সম্পর্ক অন্য মাত্রা পেয়েছে। একাধিক বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করছে দুই দেশ। এবার বাংলার সংস্কৃতিকে সরাসরি প্রত্যক্ষ করলেন চিনের প্রতিনিধিরা। সম্প্রতি কলকাতায় নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল হুগলির অন্যতম প্রান্তিক এলাকা মামুদপুর গ্রাম ঘুরে দেখলেন। প্রত্যক্ষ করলেন সেখানকার মানুষের জীবনযাপন থেকে শিক্ষার প্রসার কীভাবে ঘটছে। ঘুরে দেখলেন গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মন্দিরগুলিও। যা ঘিরে একেবারেই অন্য রকম একটা পরিবেশের সৃষ্টি হয় গ্রামে।
কলকাতার সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা ‘বেঅ্যান্ড-মেক’ এবং হেরিটেজ ও কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর সম্রাট চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে আগে থেকেই যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। সেই মতো গ্রামে পৌঁছন কনসাল জেনারেল ওয়াং হুইফেং-সহ কূটনৈতিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। আগে থেকেই সেখানে যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

গ্রামে পৌঁছতেই প্রথমে ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এলাকার স্কুল পরিদর্শন করেন। এরপর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামীণ শিক্ষার উন্নতি এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান জোরদার করাই ছিল এই সফরের ছিল মূল লক্ষ্য।

বলে রাখা প্রয়োজন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মিশনগুলির সঙ্গে বাংলার গ্রামীণ এলাকার সংযোগ গড়ে তুলতে সম্রাট চৌধুরী প্রতি বছর এই ধরনের উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। গত বছর দুর্গাপূজার সময়ও চিনা কনস্যুলেট হুগলি জেলায় একই ধরনের একটি গ্রামীণ সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করেছিল। হুগলির পাণ্ডুয়ার ভূঁইপাড়া গ্রামের দুর্গাপুজোয় সামিল হয়েছিলেন কনস্যুলেটর আধিকারিকরা।
