কালীঘাটমুখী ‘বিদ্রোহী’ আরও এক বিধায়ক। এবার মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ। বিধায়ক জানান, মমতার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। ঋতব্রত তৃণমূল বলে কিছু নেই। মমতার দেওয়া টিকিটেই বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তাই মমতাকে ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে স্পষ্ট করে দেন রথীন।
রাজ্যে পালাবদলের পর ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কের নেতৃত্বে ৬৫ জন বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী শিবির তৈরি হয়েছে। এই বিধায়কদের সমর্থনেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হন ঋতব্রত। এই বিধায়কের তালিকাতেই ছিলেন রথীন ঘোষও। এই আবহে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের একাধিকবার ‘ঘরে ফেরা’র ডাক দিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই ঋত শিবির থেকে কালীঘাট শিবিরে ফিরে আসেন আমডাঙার বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকী। তিনি জানান, তিনি মমতার সঙ্গেই রয়েছেন। এবার ঋত শিবিরের আর এক বিধায়ক রথীন জানালেন, তিনি মমতার সঙ্গেই ছিলেন। ঋত শিবির বলে আলাদা কোনও শিবির নেই।
রথীন ঘোষের কথায়, “ঋতব্রত তৃণমূল বলে কিছু নেই। ঋতব্রত আলাদা শিবির বলে আমি মনে করি না। তিনি শুধুমাত্র বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। মমতাকে দেখেই রাজনীতি করছি, মমতার সঙ্গেই আছি। মমতার দেওয়া টিকিটে জিতেছি, তৃণমূল ছেড়ে যাইনি। তৃণমূলে ছিলাম, আছি, থাকব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও আন্দোলন কর্মসূচি করলে সেই কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মী হিসেবে থাকব।”
এবিষয়ে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ঋতব্রতর কোনও সংগঠন নেই। এখন সকলে বুঝতে পারছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে আবেদন করেছেন। ঋতব্রতর সঙ্গে থাকা মানে বেইমানের সঙ্গে থাকা। রথীনবাবু নিশ্চয়ই উপলব্ধি করে কথাগুলো বলেছেন।”