টানা দুই ম্যাচ জিতে রনজিতে ছুটছে বাংলার জয়রথ। ঝুলিতে এখন ১২ পয়েন্ট। প্রথম ম্যাচে দিল্লিকে হারানোর পর সার্ভিসেসকেও হারিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। এবার অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সামনে কেরল। বিপক্ষের ডেরায় গিয়ে ম্যাচ। সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। তার আগে শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। সঙ্গে ছিলেন ক্রিকেটার সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ও সাপোর্ট স্টাফরা।
কেরলের মাঙ্গলপুরমে কেসিএ স্টেডিয়ামে ম্যাচ। বাংলা যেমন দুই ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসী, কেরলও কোনও অংশে কম যাচ্ছে না। গত ম্যাচেই ওড়িশাকে তারা হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। তার উপর ঘরের মাঠে ম্যাচ। কেবল কেরল দল নয়। বাংলার জন্য চ্যালেঞ্জ সেখানকার আবহাওয়াও। মাঙ্গলপুরমে এখন বৃষ্টির পূর্বাভাস। গতকাল বৃষ্টি হয়েছে। রবিবারও একই চিত্র। বৃষ্টির কারণে অনুশীলনও ঠিকভাবে করতে পারেননি অভিষেক পোড়েলরা। এমনকী ম্যাচের সময়ও রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।
সকাল সাড়ে ৯টায় ম্যাচ শুরু। সেই সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। তবে তা নিয়ে বিশেষ চিন্তায় নেই বঙ্গ শিবির। টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকায় খেলা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কাও কম। এই সময় দফায় দফায় বৃষ্টি হয় এখানে। সমতল থেকে উঁচুতে মাঠ হওয়ায় জল জমার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মাঠের নিকাশি ব্যবস্থাও বেশ উন্নত। ফলে বৃষ্টি থামলে খেলা শুরু করতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে পিচ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি বাংলার শিবিরে। দু’ধরনের পিচ তৈরি রাখা হয়েছে। একটিতে ঘাস থাকলেও অন্যটি শুষ্ক। শেষ পর্যন্ত কোন পিচে খেলা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বঙ্গ শিবিরের কারও কারও ধারণা, ঘাস থাকলেও ম্যাচের এক-দু’দিন পর থেকে বল ঘুরতে পারে।
রবিবার পিচ ঢাকা থাকায় উইকেটের চরিত্র বোঝার উপায় ছিল না। তাই প্রথম একাদশ চূড়ান্ত হবে ম্যাচের ঠিক আগে। গত ম্যাচে না খেললেও এই ম্যাচে বাংলার হয়ে মাঠে নামতে চলেছেন মহম্মদ শামি। ফলে শামিকে দলে ফিরিয়ে গত ম্যাচের স্পিন আক্রমণ নিয়েই মাঠে নামার সম্ভাবনা বঙ্গ শিবিরের। তার আগে কেরলের বিখ্যাত পদ্মনাভস্বামী মন্দিরে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে এলেন লক্ষ্মীরা। তিরুবনন্তপুরমের এই প্রাচীন বিষ্ণুমন্দির শ্রীবৈষ্ণব ঐতিহ্যের ১০৮টি দিব্য দেশমের অন্যতম। এখানে অনন্ত শেষনাগের উপর যোগনিদ্রায় শায়িত বিষ্ণুর পদ্মনাভ রূপ পূজিত হন। ট্রাভাঙ্কোর রাজপরিবারের কুলদেবতা এই পদ্মনাভস্বামী।