আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সদস্য। ব্যাট হাতে ২০১৩ পর্যন্ত খেলেছেন। তারপরও আম্বানিদের দলের সঙ্গে জড়িয়ে শচীন তেণ্ডুলকর। দলের সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে এখনও নাম আছে কিংবদন্তি ক্রিকেটারের। কিন্তু সেই সম্পর্ক কি শেষ হতে চলেছে? সম্প্রতি কাইরন পোলার্ডকে কোচ করেছে মুম্বই। তারপরই জল্পনা শুরু হয়েছে শচীনের সঙ্গে ১৯ বছরের সম্পর্কে কি ইতি?
এখনও পর্যন্ত কোনও ঘোষণা নেই। খাতায়-কলমে এখনও শচীন মুম্বই কোচিং দলের অংশ। সেটা অবশ্য ‘আইকন’ হিসেবে। অর্থাৎ পদটা সাম্মানিক। সবসময় উপস্থিত থাকতে হবে এমন কোনও কথা নেই। তবে সেই অঙ্কটাও বদলে যেতে পারে। গত কয়েক বছরে একেবারেই চেনা ছন্দে নেই মুম্বই। দলের মধ্যে কোন্দলের বহু খবর প্রকাশ্যে এসেছে। মাহেলা জয়বর্ধনেকে সরিয়ে নতুন কোচ হয়েছেন পোলার্ড।
তাছাড়া জুবিন ভারুচাকে নতুন পারফরম্যান্স ডিরেক্টর করেছে মুম্বই। যিনি ১৮ বছর রাজস্থান রয়্যালসে কাজ করেছেন। এর সঙ্গে ওয়েলশের প্রাক্তন ক্রিকেটার স্টেফান জোনসকে নতুন বোলিং কোচ করছে। শোনা যাচ্ছে, হার্দিক পাণ্ডিয়াকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে একটা পরিবর্তনের হাওয়া। আবার এটাও ঠিক, গত দুয়েক বছরে মুম্বইয়ে শচীনের গুরুত্ব অনেকটা কমেছে। গত বছর বাদ দেওয়া হয়েছে পুত্র অর্জুন তেণ্ডুলকরকে। সবটাই কি মুম্বই থেকে শচীন বিদায়ের ইঙ্গিত? জল্পনা তুঙ্গে।
উল্লেখ্য, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আইপিএলে কেবল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়েই খেলেছেন পোলার্ড। শচীনের সঙ্গেও নীল-সোনালি জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন। দায়িত্ব নিয়ে ক্যারিবিয়ান তারকা বলেছেন, ‘এই দল আমার জীবন ও কেরিয়ারের বিশাল একটি অংশ জুড়ে আছে। দল, খেলোয়াড় এবং সমর্থকদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই মূল্যবান।’ সব মিলিয়ে মুম্বই কী করে সেটাই দেখার।