Hashtagintro

ঘরে স্বামীর রক্তমাখা লাশ, জানেনই না স্ত্রী-পুত্র! নবমী দুপুরে আমডাঙায় উদ্ধার যুবকের পচাগলা দেহ

ঘরে পড়ে স্বামীর দেহ। জানেন না পরিবারের কেউ! নবমীর দুপুরে আমডাঙায় উদ্ধার যুবকের পচাগলা দেহ। বাবার ঘরে কম্পিউটার আনতে গিয়ে দেহ দেখতে পারেন ছেলে। দেখা যায়, খাবারের থানার পাশে মেঝেয় উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে যুবকের দেহ। পাশে রক্ত। মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা। খুন নাকি আত্মহত্যা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মৃতের স্ত্রীর বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি। প্রাথমিক অনুমান, সাংসারিক অশান্তির জন্যই এই কাণ্ড ঘটেছে।

মৃতের নাম তন্ময় জানা। বয়স ৪৫ বছর। তিনি আমডাঙা থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর মথুরা গ্রামের বাসিন্দা। তন্ময় রাইফেল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী চিকিৎসক সুতপা জানা। বাড়িতে স্ত্রী, শাশুড়ি ও ছেলেকে নিয়ে থাকতেন তিনি। বিভিন্ন কারণে পারিবারিক অশান্তি লেগেই ছিল বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। অশান্তির কথা সুতপাও জানিয়েছেন। তন্ময়ের বিরুদ্ধে সাংসারিক দায়িত্ব ঠিক মতো পালন না করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বলেন, “ছেলের পড়াশোনা খরচ দিতে পারতেন না। মদ্যপ অবস্থায় থাকতেন।”

কিন্তু স্বামীর মৃত্যু কী করে? পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেক্ষেত্রে পরিবারের কেউ জানতে পারলেন না কেন? মৃতের স্ত্রীর যুক্তি, “বাড়িতে অনেক ইঁদুর মরে পরে থাকে। সেই গন্ধে আমরা কিছু বুঝতে পারিনি।” তিনি আরও জানিয়েছেন, দিন কয়েক আগে তন্ময় বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। দোতলা থেকে ঝাঁপও দিয়েছিলেন। তিনি পুলিশকে আগেই সে কথা জানান। বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। তারপরও কিছু বোঝা যায়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় অবাক স্থানীয়রা। তন্মেয়র এক পরিচিত বলেন, “আমি ওকে চিনতাম। আজ জানতে পারি তন্ময় মারা গিয়েছেন। তবে মনে হয় ওকে অত্যাচার করা হয়েছে।” ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language