Hashtagintro

চিন বোঝে মুগুরের ভাষা! জিনপিংকে ‘জুজু’ দেখিয়ে লাদাখে বিরাট পদক্ষেপ ভারতের, কী বলছে বেজিং?

ব্রিকস থেকে ফিরেই পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ সীমান্ত কমিশন গঠন করেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর পালটা পদক্ষেপ করেছে ভারত। সম্প্রতি বিতর্কিত লাদাখ ভূখণ্ডের ২৮টি কৌশলগত অঞ্চলের শনাক্তকরণ ও নামকরণ করা হয়েছে! বলা বাহুল্য, বিষয়টি একেবারেই পছন্দ হয়নি বেজিংয়ের। বিরোধিতায় সরব হয়েছে তারা। ঠিক কী বলেছে চিন?

বেজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, “ভারত একতরফা ও অবৈধভাবে তথাকথিত ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ তৈরি করেছে। চিন কখনওই এর স্বীকৃতি দেয়নি।” ভারতের তথাকথিত নামকরণের দৃঢ় বিরোধিতা মাও আরও বলেন, “(ভারতের) এই পদক্ষেপ অবৈধ ও অকার্যকর। এটি এই সত্যকে পরিবর্তন করতে পারে না যে, চিন-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো সর্বদা চিনেরই অন্তর্ভুক্ত।”

২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে লাদাখের ২৮টি কৌশলগত স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিজেদের মানচিত্রে চিহ্নিত করেছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অবস্থিত গোগরা ও হট স্প্রিং-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকাও। যে অঞ্চল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে রয়েছে উত্তেজনা। লাদাখ প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শ করেই সরকার এই পদক্ষেপ করেছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি মানচিত্র তৈরির প্রক্রিয়াকে সুবিন্যস্ত করা। সুনির্দিষ্টভাবে স্থানগুলির শনাক্তকরণ সম্ভব করা। পাশাপাশি সংবেদনশীল সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

চিনের বক্তব্য, এই পদক্ষেপ সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টর নিয়ে বিজিংয়ের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারবে না। অপরপক্ষে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চিনের মতো আগ্রাসী প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে পালটা পদক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না ভারতের। উল্লেখ্য, আগেই ‘পাকিস্তান-চিন যৌথ সীমান্ত কমিশন’কে প্রত্যাখ্যান করছিল নয়াদিল্লি।

বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে কোনও সীমানার অস্তিত্বকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় অস্বীকার করে। এইসঙ্গে বলা হয়, এই কমিশনটির “কোনও আইনি ভিত্তি নেই”। ভারতের বিবৃতিতে বলা হয়, “জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ— এই সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। বেআইনি ও জোরপূর্বক দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ড সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপে যুক্ত হওয়ার কোনওরকম আইনি অধিকার বা ভিত্তি নেই পাকিস্তানের।” আরও বলা হয়, জিনজিয়াং এবং পাকিস্তান-অধিকৃত গিলগিট-বাল্টিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্ধারণের লক্ষ্যে ১৯৬৩ সালের ২ মার্চ স্বাক্ষরিত তথাকথিত ‘চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি’টি “অবৈধ”।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language