Hashtagintro

জোড়াফুল কার? নথি জমা দিতে ঋত তৃণমূলকে আরও ১০ দিন সময় সুপ্রিম কোর্টের

মাস ঘুরলেই কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন। কিন্তু তৃণমূল নাম এবং প্রতীক কার, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে এখনও মামলা বিচারাধীন। গত শুনানিতে কালীঘাট এবং ঋত তৃণমূল, দুপক্ষকেই নথি এবং হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ, সোমবার ছিল সেই নথি জমা দেওয়ার ‘ডেডলাইন’। কালীঘাট তৃণমূল নথি জমা দিলেও এদিন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস অর্থাৎ ঋত তৃণমূল কোনও নথি জমা দিতে পারেনি। নতুন করে আদালতের কাছে সময় চান তাঁদের আইনজীবী। সেই আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। এবং নথি জমা দিতে ১০ দিন সময় দেওয়া হয়। যার পালটা হলফনামা জমা দিতে পারবে কালীঘাট তৃণমূলও। সব মিলিয়ে দুই পক্ষকেই ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

বঙ্গ বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসার ভেঙে খান-খান হয়ে যায়। তৃণমূল কংগ্রেসে ফাটলের পর গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আগে অস্থায়ী সমাধান হিসেবে নির্বাচন কমিশন দুই শিবিরকে আলাদা নাম ও প্রতীক দিয়েছিল। মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ফুটবলার প্রতীক ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ছিল খাম। কিন্তু তা অস্থায়ী। দলের আদি প্রতীক অর্থাৎ ঘাসের উপর জোড়াফুল নিয়ে টানাটানি জারি রয়েছে এখনও। মামলাও হয় সুপ্রিম কোর্টেও। তার ফয়সালা করতে দুপক্ষকেই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিন মামলার শুনানিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের এক আইনজীবী কোর্টে আবেদন করে জানান, এক মাসের মধ্যে যাবতীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। কিন্তু নথি জমা দিতে আরও দু’সপ্তাহ সময় চান আইনজীবী। এই বিষয়ে তাঁর যুক্তি, দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার পাওয়া যায়নি। ফলে নথি জমা দিতে সময় দেওয়া হোক। যদিও এই বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদি তা খারিজ করে দিয়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নথি জমা দিতে ঋতব্রত তৃণমূল ১০ দিন সময় পাবে। প্রতিপক্ষের হলফনামা খতিয়ে দেখে জবাব দেওয়ার জন্য আরও দশ দিন সময় পাবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েরা।

এদিকে এদিনই কালীঘাট শিবির নথি চুরির চেষ্টা করেছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে সোমবার সকালে তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার রাতে চার্টার্ড ফ্লাইটে নিজেদের নথি পাঠিয়েছে দিল্লিতে। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ তারিখ, শনিবার নিজেদের নথিপত্র নিয়ে দিল্লিতে রওনা দিয়েছেন সড়কপথে। সোমবার সকালে তাঁদের ট্রাক আটকে সেসব নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ ঋতব্রতর। এও জানান, যদিও কালীঘাট শিবিরের ওই ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছেন তাঁর সাহসী কর্মীরা। এরপরই বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘চার্টার্ড সংস্কৃতি ও তৃণমূল স্তরের মধ্যে একটা ছোটখাটো যুদ্ধ হয়ে গেল। সবসময় গায়ের জোরে সবকিছু লুটের চেষ্টা সফল হয় না।’ তিনি জানান, ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ হরিয়ানায় এই ঘটনা ঘটেছে।

Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin India (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language