Hashtagintro

দামের ঝাঁঝে চোখে জল! কেজি প্রতি মাত্র ৩৫ টাকায় শুরু পেঁয়াজ বিক্রি

পেঁয়াজের দামের ঝাঁঝে চোখে জল গৃহস্থের। সাধারণ মানুষকে সুরাহা দিতে ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে রাজ্যের কৃষিজ বিপণন দফতর। নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির মাধ্যমে পূর্ব বর্ধমান জেলার ৯ জায়গায় ‘সস্তায়’ পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিক্রি করা হবে বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজ এনে তা বিক্রি করা হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন শহরে। সেই অনুযায়ী এবার পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি।

পূর্ব বর্ধমানের নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির সচিব বিভান পাল জানান, জেলার ৯টি জায়গায় ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। বাজারে দাম বাড়ায় নাসিকের পেঁয়াজ এনে সাধারণ মানুষকে ন্যায্যমূল্যে তা বিক্রি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাজারে পেঁয়াজের দাম অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। খুচরো বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা। রান্নার কাজে পেঁয়াজ অপরিহার্য গৃহস্থ বাড়িতে। রান্নার স্বাদ আসে না পেঁয়াজ ছাড়া! কিন্তু পেঁয়াজ কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এত চড়া দাম, যে নমো নমো করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সুরাহা দিতে রাজ্য সরকার ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি উদ্যোগ নিয়েছে। নাসিক থেকে ‘নাফেড’-এর মাধ্যমে পেঁয়াজ কিনেছে রাজ্যের কৃষিজ বিপণন দপ্তর। তার পর তা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন জনবহুল জায়গায় শিবির করে ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। এছাড়া সুফল বাংলা স্টলেও ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।

 

পূর্ব বর্ধমানের নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির সচিব বিভান পাল জানান, জেলার ৯টি জায়গায় ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। বাজারে দাম বাড়ায় নাসিকের পেঁয়াজ এনে সাধারণ মানুষকে ন্যায্যমূল্যে তা বিক্রি করা হচ্ছে। মূলত বর্ধমান, কাটোয়া ও কালনাতে শিবির করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বর্ধমানের কার্জন গেট চত্বরে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়। সেখানে এদিন মোট ১৫০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়েছে। দুই কেজি করে প্যাকেট করা হয়েছে পেঁয়াজ। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই প্যাকেট পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। এদিন বর্ধমানের নিখিল দাস পেঁয়াজ কেনেন। তিনি বলেন, “বাজারের পেঁয়াজের দাম শুনলেই কিনতে ভয় লাগে। রাজ্য সরকার ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় আমাদের মতো সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে।”

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language