দুই-এক দিন ধরেই দুর্গন্ধ পাচ্ছিলেন প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। এরপর বৃহস্পতিবার ভোররাতে নিউটাউনের বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে এক তরুণীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আত্মহত্যা, খুন নাকি অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ? খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
মৃতের নাম অপলা প্রধান (৩০)। তাঁর বাড়ি জামশেদপুরে। তিনি কলকাতার একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রেই নিউটাউনের সুখবৃষ্টি আবাসনের এ ব্লকের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। ফ্ল্যাটটিতে একাই থাকতেন অপলা। ২-৩ দিন ধরে পরিবারের সদস্যরা ফোনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। তাঁরা মনে করছিলেন, কোনও কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন মেয়ে। গত কয়েকদিন তাঁকে ফ্ল্যাটের বাইরে বের হতেও দেখা যায়নি। এছাড়াও আবাসনে দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়ে। দুর্গন্ধের উৎসস্থল চিহ্নিত করে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
বৃহস্পতিবার ভোররাতে পুলিশ এসে সুখবৃষ্টি আবাসনের এ ব্লকের ওই ফ্ল্যাটে ঢোকে। সেখান থেকেই জামশেদপুরের ওই তরুণীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ২-৩ দিন আগেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে তরুণীর। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শেষবার তাঁকে কোথায় দেখা গিয়েছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর আগে পরিচিত কারও সঙ্গে তিনি যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন কি না তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। ইতিমধ্যেই মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলার রুজু করা হয়েছে।
