ছুটি নয়। ছোটা শুরু। পুজোতে ডেঙ্গু ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুজোর সময় বন্ধ থাকে স্কুল, কলেজ সরকারি অফিস। সেসময় বন্ধ স্কুল-কলেজ-সরকারি অফিস পরিদর্শনে আসবে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ টিম। দেখবে কোথাও জল জমছে কিনা। প্রয়োজনে মশার লার্ভা নিধন ড্রাইভ হবে। পুজোর মরশুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যাঁরা বাড়িতে বিশ্রামে। প্রতিদিন তাঁদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে ফোন করবে স্বাস্থ্য দপ্তর।
টেলিফোনের মাধ্যমে ডেঙ্গু আক্রান্তের শরীরের খোঁজ নেওয়া হবে। ডেঙ্গু রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে কোনও ডিনায়াল অফ অ্যাডমিশন নয়। কোনও হাসপাতাল অথবা নার্সিংহোম কোনও রোগীকে ফিরিয়ে দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুজোর আগে ফের একবার জেলাস্তরের বৈঠক হবে ডেঙ্গু নিয়ে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তৈরি হয়েছে বিশেষ টিম। কী কাজ করবে তারা?
প্রতিটি পুজো মণ্ডপে বাঁশের কাঠামোয়, ত্রিপলে, মণ্ডপের কোনও জায়গায় জল জমে রয়েছে তা দেখতে সপ্তমী, অষ্টমীতেও পরিদর্শনে আসবে স্বাস্থ্য দপ্তরের ‘টিম’। প্রতিটি পুরসভা স্তরে তৈরি হচ্ছে এই র্যাপিড রেসপন্স টিম। এরা বড় পুজো মণ্ডপ, মণ্ডপ সংলগ্ন মেলায় নজরদারি চালাবেন। জ্বরের জন্য যাঁরা ডেঙ্গু টেস্ট করাবেন পুজোর দিনগুলিতে বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করতে হবে জ্বরের রিপোর্ট।
রাজ্যের সব স্কুল-কলেজ, সরকারি অফিসেই এই অভিযান ছুটির দিনগুলিতে চলবে। ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব এবারও রয়েছে। উত্তর কলকাতার একাধিক জায়গায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। শুধু তাই নয়, শহরতলি ও কলকাতা সংলগ্ন জেলাগুলিতেও ডেঙ্গু আক্রান্তদের খোঁজ মিলেছে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার কড়া ভূমিকা, পদক্ষেপ করছে স্বাস্থ্য দপ্তরও।
