Hashtagintro

পুজোর মরশুমে ১২ হাজার পর্যটকের টয়ট্রেনে সফর, লক্ষ্মীলাভ প্রায় দেড় কোটি টাকা

পুজোর ছুটিতে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি প্রাপ্ত টয়ট্রেন যাত্রায় পর্যটকদের ব্যাপক সাড়া। রেলসূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র ২১ দিনে ১২ হাজার পর্যটক টয়ট্রেনে সফর করেছেন। প্রায় দেড় কোটি টাকা রোজগার করেছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। পাহাড়ে বেড়াতে এসে টয়ট্রেনে বসে নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ নেবেন না, এমন বাঙালি পর্যটক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এবারও পুজোর মরশুমে সেটাই হয়েছে।

দার্জিলিং হিমালয়ান রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ হাজার পর্যটক টয়ট্রেনে সফর করেছেন। স্বভাবতই বেড়েছে রেলের উপার্জন। মাত্র ২১ দিনে টয়ট্রেন পরিষেবা থেকে ১ কোটি ৪১ লক্ষ ২৩,১০০ টাকা আয় হয়েছে। উৎসবের মরশুমে পাহাড়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে টয়ট্রেন যে অন্যতম আকর্ষণ, ওই পরিসংখ্যান সেটাই ফের প্রমাণ করেছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী টয়ট্রেন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা উপভোগের আকাঙ্খা দেশ-বিদেশের পর্যটকদের মধ্যে ক্রমশ বেড়ে চলেছে।

12,000 tourists travel by toy train during durga puja festive season, earnings reach nearly 1.5 crore rupees
প্রতীকী ছবি।

পর্যটকদের চাহিদা বুঝে পুজোর আগেই কার্শিয়াং স্টেশন থেকে চালু হয়েছে ডিজেল ইঞ্জিনচালিত বিশেষ টয়ট্রেন পরিষেবা ‘মুক্তধারা জয়রাইড’। পড়ন্ত বিকেলে কার্শিয়াং থেকে মহানদী এবং মহানদী থেকে কার্শিয়াং রুটে যাতায়াত করছে টয়ট্রেনটি। এছাড়াও পর্যটকদের টিকিট না-পেয়ে যেন ফিরে যেতে না-হয়, সেজন্য দার্জিলিং ও ঘুম স্টেশনের মধ্যে ডিজেল ইঞ্জিনচালিত চার রাউন্ড জয়রাইড চালু ছিল। অন্যদিকে কার্শিয়াং ও মহানদীর মধ্যে চালু ছিল দু’টি বিশেষ রাউন্ড ট্রিপ৷ এর মধ্যে ‘রেড পান্ডা’ নামে প্রথম স্টিম ইঞ্জিনচালিত ট্রিপ সকাল ন’টায় কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে দশটায় মহানদী থেকে ফিরছে।

12,000 tourists travel by toy train during durga puja festive season, earnings reach nearly 1.5 crore rupees
পাহাড়ে এবার ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’। ছবি: সংগৃহীত

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী জানান, টয়ট্রেন পাহাড়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি প্রাপ্ত বাষ্পচালিত ও ডিজেলচালিত টয়ট্রেনে ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতার। পাহাড়ি জনপদ, সবুজ চা বাগান এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে দিয়ে টয় ট্রেনের যাত্রা ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে বরাবরই বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে। পুজোর মরশুমে পর্যটকদের বিপুল সাড়ার পিছনে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যটন পরিষেবাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে যাত্রীদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে টয়ট্রেনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকায় এই পরিষেবার জনপ্রিয়তা স্থানীয় পর্যটন অর্থনীতির ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language