Hashtagintro

পুরভোটের আগে রাজ্যে কংগ্রেসের শক্তিবৃদ্ধি! হাত ধরলেন দুই প্রাক্তন মেয়র পারিষদ

পুরভোটের আগে রাজ্যে কংগ্রেসের শক্তিবৃদ্ধি। এবার হাত ধরলেন মমতা তৃণমূলের দুই প্রাক্তন মেয়র পারিষদ। বুধবার কংগ্রেসে যোগ দিলেন কলকাতার পুরনো ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরজানা চৌধুরী এবং ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বরো চেয়ারম্যান সঞ্চিতা মণ্ডল।

বুধবার হাজি মহম্মদ মহসিন স্কোয়ারে মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের দফতরে বুধবার ফরজানা ও সঞ্চিতার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে‌ছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। উপস্থিত ছিলেন মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেস সভাপতি মানস সরকার দেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পার্থ ভৌমিক, সুমন রায়চৌধুরী-সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

মধ্য কলকাতার রাজনীতিতে বেশ ভালোরকম প্রভাব রয়েছে এই দুই নেত্রীরই। শিয়ালদহ থেকে বালিগঞ্জে ভালোরকম জনসমর্থন রয়েছে তাঁদের। একটা সময় ফারজানা সিপিআই নেত্রী ছিলেন। ২০২০ সালের পুরভোটে তিনি বামেদের টিকিটেই জয়ী হন। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। সঞ্চিতা মণ্ডল বরো চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দুই নেত্রী হাত শিবিরে যোগ দেওয়ায় পুরভোটের আগে কংগ্রেসের শক্তি বেশ খানিকটা বেড়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আসলে পালাবদলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। আসলে গত ১৫ বছরে কখনও একা, কখনও বামেদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছে কংগ্রেস। কিন্তু সে অর্থে লাভ হয়নি। কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনে একা লড়াই করে অন্তত গোটা রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতিটুকু বুঝিয়ে দিতে পেরেছে হাত শিবির। এদিকে রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের বেহাল দশা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের দল এখন ভেঙে টুকরো টুকরো। মমতা তৃণমূল, ঋতব্রত তৃণমূল, এনসিপিআই ছাড়াও ছোট খাটো অনেক গোষ্ঠী দলের। যার ফলে তৃণমূলের বহু নেতা বিকল্প রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সেই আশ্রয় হিসাবে নিজেদের তুলে ধরছে হাত শিবির। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে তুলনামূলক ভালো ভোট পাওয়ায় হাত শিবিরের গ্রহণযোগ্যতা খানিকটা হলেও বেড়েছে। সম্ভবত সেকারণেই কলকাতা পুর এলাকাতেও ক্রমে শক্তি বাড়াচ্ছে হাত শিবির।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language