পুজোর মরশুমে সাহসী ফটোশুটে চর্চার শিরোনামে নাম লিখিয়েছিলেন কাঞ্চনা মৈত্র। ‘মোহময়ী’ শীর্ষক ফটোসিরিজের জন্য নেটভুবনে যেমন প্রশংসা অর্জন করেছেন, তেমনই অভিনেত্রীর উদ্দেশে ধেয়ে এসেছেএকের পর এক কটাক্ষবাণ। ব্লাউজহীন পরনে শাড়ি। অনাবৃত পিঠ। ইঙ্গিতপূর্ণ অভিব্যক্তিতে নেটপাড়ায় রীতিমতো ঝড় তুলে দেন কাঞ্চনা। অভিনেত্রীকে নিয়ে সোশাল পাড়াময় চর্চার মাঝেই এবার সেপ্রসঙ্গে মুখ খুললেন পল্লবী চট্টোপাধ্যায়।
“অন্তর্বাস দেখা যায়নি। শুধু পিঠটা দেখা গিয়েছে। পুরোটা খুলে ফেললে তো…”
সম্প্রতি কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন প্রসেনজিতের বোন তথা অভিনেত্রী পল্লবীর বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন কাঞ্চনা। ‘মোহময়ী’ ফটোশুটের জন্য অভিনেত্রীকে যেভাবে ট্রোলের শিকার হতে হচ্ছে, সেপ্রসঙ্গেই নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন পল্লবী। অভিনেত্রী জানান, “এই ফটোশুট তো ভীষণ শৈল্পিক একটা কাজ। অন্তর্বাস দেখা যায়নি। শুধু পিঠটা দেখা গিয়েছে। পুরোটা খুলে ফেললে তো আর সৌন্দর্য থাকে না।” পাশাপাশি কাঞ্চনা মৈত্রর এহেন ফটোশুটকে বোল্ড কিংবা সাহসী আখ্যা দিতেও নারাজ তিনি। কেন? নিজেই তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন পল্লবী চট্টোপাধ্যায়।

পল্লবীর মতে, কাঞ্চনার ফটোশুট মোটেই বোল্ড অ্যান্ড বিউটিফুল নয়! বরং এটা শুধুই বিউটিফুল। বোল্ড হলে তো পুরোটাই খুলে ফেলতে হত। সব দেখালে তো আর আকর্ষণ থাকে না। না দেখানোর আকর্ষণটা আরও বেশি। কাঞ্চনা সেটাই করেছে। তবে নিন্দুকরা ট্রোল-কটাক্ষ যতই করক, ‘মোহময়ী’ থিমের ফটোশুটের জন্য কিন্তু কাঞ্চনার সাজপোশাক বেশ প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে খোঁপায় গোলাপের মালা। নাকে নথ। পরনে বাজুবন্ধ, মানানসই ঝুমকো। তার সঙ্গে সিঁথিতে চওড়া সিঁদুর আর লাল টিপে অভিনেত্রীকে যেন আদতেই ‘মোহময়ী’ দেখাচ্ছিল, এমনটাই মত অনুরাগীদের।
View this post on Instagram
