Hashtagintro

বিজয়ার মিষ্টি খাওয়াই কাল! শোভনদেবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরই কমল কাজলের নিরাপত্তা

বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ই কি কাল হল? বুধবার বিধানসভায় কালীঘাট শিবিরের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিধানসভায় বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কাজল শেখ (Kajal Sheikh)। হয় ‘মিষ্টি সৌজন্য’। এরপরেই ঋতব্রতপন্থী হাসনের বিধায়কের কালীঘাট তৃণমূলে ফেরা নিয়ে তৈরি হয় জোর জল্পনা। এহেন জল্পনার মধ্যেই এবার নিরাপত্তা প্রত্যাহার কাজল শেখের। জানা যায়, সভাধিপতি থাকাকালীন ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পেতেন তিনি। সরকার বদলের পর দু’জন সশস্ত্র পুলিশ কর্মীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে এদিন সকাল থেকেই সেই নিরাপত্তাও তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে কেন এই নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন কাজল।

কাজল শেখ জানান,” কিছুই বুঝতে পারছি না। কেন নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল প্রশাসন বলতে পারবে।” তবে সূত্রের খবর, এরপরেই বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের দ্বারস্থ হয়েছেন বিধায়ক। 

বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের সংসার ভেঙে খান-খান হয়। তাঁর হাত ছেড়ে ঋত তৃণমূলে যোগ দেন ৬৪ জন বিধায়ক। সেই তালিকায় ছিলেন হাসনের বিধায়ক কাজল শেখও। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অনুব্রত মণ্ডলও ঋত শিবিরে যোগ দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় থেকেই দু’জনের সংঘাত কারোর অজানা নয়। কেষ্ট-কাজলের সংঘাতে একাধিক সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর শিবির বদল করেও কার্যত কোনঠাসা হয়ে পড়েন কাজল। শুধু তাই নয়, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেন কাজল শেখ। এর নেপথ্যে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের বড় ভূমিকা ছিল বলে দাবি।

শুধু তাই নয়, কাজলের নিরাপত্তাও একধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। সূত্রের খবর, যা নিয়ে কাজল শেখ নাকি ক্ষুব্ধ ছিল বলেই খবর। এর মধ্যেই বুধবার বিধানসভায় মমতাপন্থী বিধায়ক শোভনদেবের বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন কাজল শেখ। দলের প্রবীণ নেতার হাত থেকে করেন ‘মিষ্টি-মুখ’। এরপরেই জল্পনা তৈরি হয়, কাজল কি তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে মমতার হাত ধরবেন! জল্পনা তীব্র হয় শোভনদেবের বক্তব্যে। তিনি জানান, হাসনের বিধায়ক দিদির কাছে ফিরতে চাইলে স্বাগত। তবে পুরো বিষয়টি ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলেই উড়িয়ে দেন কাজল শেখ। এরমধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল তাঁর। এ প্রসঙ্গে কাজল শেখ জানান,” কিছুই বুঝতে পারছি না। কেন নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল প্রশাসন বলতে পারবে।” তবে সূত্রের খবর, এরপরেই বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের দ্বারস্থ হয়েছেন বিধায়ক। 

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language