২০১৬ সালে এসেছিলেন ফুটবলার হিসেবে। সেবার এটিকে’র বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছিল দিয়েগো ফোরলানকে। ২০২৬-এও তিনি মাঠের বাইরে থাকবেন। তবে উরুগুয়ের কোচ হিসেবে। ৬ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারতের মুখোমুখি হবে দু’বারের বিশ্বকাপ জয়ী দেশ। আগের ম্যাচে ব্রাজিলকে জোর টক্কর দিয়েছে খালিদ জামিলের দল। যা রীতিমতো সমীহ আদায় করে নিয়েছে ফোরলানের। আরও একটা বিষয়ে আপ্লুত তিনি। ব্রাজিল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির উলটো পথে গিয়ে এদেশের ফুটবল সংস্কৃতিতে মুগ্ধতার কথা জানালেন।
মুম্বই সিটি’র ফুটবলার হিসেবে ১০ বছর আগে যুবভারতীতে খেলা হয়নি। সেই ম্যাচ হয়েছিল রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে। কিন্তু যুবভারতীর মাদকতা বিশ্বকাপে সোনার বলজয়ী ফুটবলার জানেন। ভারত ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি জানি এখানকার মানুষ ফুটবল নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ। যেরকম আমি দেখেছি কেরলে বা উত্তর-পূর্ব ভারতে। কলকাতায় আতিথেয়তায় মুগ্ধ। যতবার ভারতে এসেছি, খুশি হয়েছি। এই শহরগুলোর ফুটবল সংস্কৃতি প্রশংসনীয়।” এর আগে ব্রাজিলের কোচ আন্সেলোত্তি বলেছিলেন, ভারতে তেমন ফুটবল সংস্কৃতি নেই। ভারতে খেলে যাওয়া ফোরলান তা বিশ্বাস করেন না।
কিন্তু গত দশ বছরে ভারতীয় ফুটবলে অনেক বদল এসেছে। সমস্যাও অনেক। ফোরলান সেসবে ঢুকলেন না। বললেন, “আমার সময়ে ভারতে অনেক ভালো প্লেয়ার ছিল। এটা ভালো যে, ভারত এখন ব্রাজিল বা উরুগুয়ের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে খেলছে।” ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারতের লড়াইয়ের প্রশংসা চলছে দেশজুড়ে। ফোরলান সচেতন ও সাবধানী। তিনি বললেন, “সব দলকেই শ্রদ্ধা করতে হয়। এই ম্যাচটা সহজ হবে না। তাছাড়া এখানে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে কয়েকটা ভালো সুযোগ পেয়েছিল। কয়েকবার ভালো খেলা তৈরি করেছে। এই ধরনের ম্যাচে ভবিষ্যতের ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যায়।”
তবে ভারতীয় ফুটবল নিয়ে সত্যিই ভেবেছেন উরুগুয়ে কিংবদন্তি। কোন পথে উন্নতি হবে? ফোরলান বললেন, “কাজটা সহজ নয়। অ্যাকাডেমি তৈরি করতে হবে। প্রচুর বাচ্চাকে ফুটবল খেলাতে হবে। যত অ্যাকাডেমি হবে, তত লিগ শক্তিশালী হবে। তত ভালো প্লেয়ার উঠে আসবে।”
