বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর মতো বিরাট মাপের তারকাকে নিয়ে স্বভাবতই জল্পনা শুরু হয়, ভোটে লড়ছেন কিনা। জল্পনার অবসান ঘটিয় সেই লিয়েন্ডার পেজ জানিয়েছিলেন, তিনি লড়বেন নির্বাচনে। তবে সেটা ক্রীড়া প্রশাসনে। কিন্তু আচমকাই সেই লড়াই থেকে তিনি সরে দাঁড়ালেন!
সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনেই। দৌড়ে মহেশ ভূপতি এবং সানিয়া মির্জা নিজেদের নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু বিস্ময়কর ভাবে সেই লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন লিয়েন্ডার পেজ। যিনি তর্কাতীত ভাবে এ দেশের শ্রেষ্ঠ টেনিস প্লেয়ার। এখানে লিখে রাখা যাক, কোনও প্লেয়ারকে সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার (এআইটিএ) প্রেসিডেন্ট হতে গেলে, সর্বাগ্রে এআইটিএ এসওএম (স্পোর্টস পার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট) লড়তে হবে। সেখানে জিতলে, তার পর টেনিস সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়া যাবে।
ভূপতি এবং সানিয়া-দু’জনেই এআইটিএ এসওএমে নিজেদের মনোনয়ন জমা করেছেন। কিন্তু লিয়েন্ডার করেননি। নিজের মনোনয়ন জমা করার পর ভূপতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমার মতে প্রতিটা ফেডারেশনেই প্লেয়ার থাকা উচিত। কারণ, উচ্চ পর্যায়ে খেলাধুলোকে নিয়ে যেতে হলে প্রশাসনে প্লেয়ারের প্রয়োজন রয়েছে। দেখছেন না, পুলেল্লা গোপীচাঁদ কী ভাবে দেশের ব্যাডমিন্টনকে পাল্টে দিয়েছে।” কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, লিয়েন্ডার কেন সরে দাঁড়ালেন?
ইতিমধ্যেই গতবছর বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে জিতে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন লিয়েন্ডার। সর্বভারতীয় টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে বঙ্গ টেনিস সংস্থা। স্পোর্টস পার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট রস্টারে যোগ দিতে আবেদন করেছেন লিয়েন্ডার, এমনটাও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আপাতত তাঁকে দেখা যাবে না টেনিস প্রশাসনে। লিয়েন্ডার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একদিকে যেমন জল্পনা ছিল তাঁর ভোটে লড়া নিয়ে, অপরদিকে মনে করা হচ্ছিল কিংবদন্তি খেলোয়াড়কে ক্রীড়া প্রশাসনের দিকেই ব্যবহার করবে গেরুয়া শিবির। ঠিক কী ভূমিকা হবে লিয়েন্ডারের, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
