পৃথিবী ছেড়ে যাঁরা পরপাড়ে চলে গিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একটা গোটা দিন। সেটাই হ্যালোউইন উৎসব। ৩১ অক্টোবর পশ্চিমের দেশগুলিতে পালন করা হয়। সাজপোশাক, খাওয়াদাওয়ায় আন্দাজমতো পরলোকের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা হয়। সে বড় কম আনন্দের নয়! তবে এবার শুধু পৃথিবীতে নয়, মহাকাশেও হ্যালোউইন ডে পালিত হল। শুনে অবাক হচ্ছেন? কথা কিন্তু খাঁটি সত্যি। প্রিয় ও জনপ্রিয় সুপারহিরো ব্যাটম্যানের সাজে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে সকলকে হ্যালোউইনের শুভেচ্ছা জানালেন নাসার নভশ্চর পেগি হুইটসন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে সেই ছবি পোস্ট করেছেন তিনি নিজেই। তাতে নানা মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরাও।
Happy Halloween
Superhero is always a popular choice in space – for all of the obvious reasons. https://t.co/K7Wef1J344
— Peggy Whitson (@AstroPeggy) October 30, 2026
ব্যাটম্যানের মতো আপাদমস্তক কালো, আঁটসাঁট পোশাকে নিজেকে মুড়ে এবং সেই ঝুলন্ত শরীরী ভঙ্গিমায় নিজের ছবি পোস্ট করলেন নাসার নভশ্চর। লিখলেন, ‘হ্যাপি হ্যালোউইন! সুপারহিরোরা সর্বদাই মহাকাশে অত্যন্ত প্রিয়, কারণটা সকলেই জানেন।’ আসলে সুপারহিরোদের কল্পবিজ্ঞান যে মিলে যায় মহাকাশ বিজ্ঞানের বাস্তব ক্ষেত্রে!
মহাকাশে সবচেয়ে বেশি সময় কাটানোর রেকর্ড রয়েছে নাসার পেগি হুইটসনের ঝুলিতে। নভশ্চর হিসেবে কেরিয়ারের নানা অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৬৯৫ দিন স্রেফ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনেই কাটিয়েছেন ৬৬ বছরের মার্কিন মহিলা। এই বয়সেও কোনও ক্লান্তি নেই, শারীরিকভাবে অত্যন্ত ফিট হুইটসন। এই মুহূর্তে ‘অ্যাক্সিয়ম’ প্রকল্পে অংশ নিতে তিনি রয়েছেন স্পেস স্টেশনে। কাজের মাঝেও উৎসবের কথা ভোলেননি হুইটসন।
৩১ অক্টোবর হ্যালোউইন উৎসবে মহাশূন্য থেকেই শুভেচ্ছা জানালেন তিনি। তবে চমক ছিল তাঁর পোশাকে। ব্যাটম্যানের মতো আপাদমস্তক কালো, আঁটসাঁট পোশাকে নিজেকে মুড়ে এবং সেই ঝুলন্ত শরীরী ভঙ্গিমায় নিজের ছবি পোস্ট করলেন নাসার নভশ্চর। লিখলেন, ‘হ্যাপি হ্যালোউইন! সুপারহিরোরা সর্বদাই মহাকাশে অত্যন্ত প্রিয়, কারণটা সকলেই জানেন।’ আসলে সুপারহিরোদের কল্পবিজ্ঞান যে মিলে যায় মহাকাশ বিজ্ঞানের বাস্তব ক্ষেত্রে!
হুইটসনের ওই পোস্ট দেখে উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা। তাঁর পোস্টের নিচে কেউ পালটা হ্যালোউইনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কারও আবার মন্তব্য, ‘মহাকাশ স্টেশন তো ব্যাটম্যান স্টেশন হয়ে গিয়েছে।’ কেউ তাঁকে ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ সম্বোধন করে লিখলেন, ‘দারুণ আকর্ষণীয়!’ হুইটসন বোঝালেন, মহাশূন্যে তাঁর জীবনের অনেকটা অংশ কাটলেও পৃথিবীর উৎসব, আনন্দের কথা ভোলেননি।

Superhero is always a popular choice in space – for all of the obvious reasons. https://t.co/K7Wef1J344