মাত্র দেড় মাস বয়স! আর এইটুকু বয়সেই হার্টে বড় ছিদ্র। অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজন প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা। একদিকে শিশুর জীবন বাঁচানোর লড়াই, অন্যদিকে বিপুল অঙ্কের চিকিৎসার খরচ। কীভাবে সন্তানের চিকিৎসা করাবেন, কোথা থেকেই বা আসবে এত টাকা এই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিল দুর্গাপুরের একটি পরিবার। সামান্য পরিচারিকার কাজ করে কোনওরকমে চলে সংসার। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন দুর্গাপুরের বিজেপির যুব নেতা পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায়। শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও।
ইতিমধ্যেই দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতালে শুরু হয়েছে দেড় মাসের শিশুটির প্রাথমিক চিকিৎসা। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে হৃদপিন্ডের ছিদ্র বন্ধ করতে অস্ত্রোপচার করা হবে। চিকিৎসার খরচ প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা। এর সঙ্গে রয়েছে অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও। সামান্য পরিচারিকার কাজ করে যে পরিবারের সংসার চলে, তাদের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা ছিল কার্যত অসম্ভব। সন্তানের চিকিৎসা কীভাবে হবে, সেই চিন্তাতেই কাটছিল দিন-রাত। এমন সময় পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায় এগিয়ে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে। শিশুটির চিকিৎসার খরচের দায়িত্ব নেওয়ায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। এখন তাঁদের একটাই আশা, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক একরত্তি শিশুটি।
পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,”একটা শিশুর এই অবস্থা শুনে আমার মা আমাকে জানান। তারপরেই আমি জানতে পারি ওই শিশুটি বিধান নগরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পরিবারের সাথে কথা বলি। হাসপাতালের সাথে কথা বলি। হাসপাতালও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি যতটা খরচা প্রয়োজন আমরা বহন করব। শিশুটি যাকে সুস্থ হয়ে ওঠে সেদিকেও আমাদের বাড়তি নজরদারী থাকবে।”
