Hashtagintro

মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির, ঠাকুরনগরে পুরসভা, বারুণী মেলা নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রথমবার ঠাকুরনগরে গিয়ে কার্যত ‘কল্পতরু’ হয়ে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার গোঁসাই আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন তিনি। মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির থেকে বারুণী মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়া, আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরি, সবকিছুর দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার। সিএএ-তে মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঠাকুরনগরের দীর্ঘ ঐতিহ্য বজায় রাখার অঙ্গীকারও শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। তাঁর ঘোষণায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন সমবেত জনতা।

শান্তনু ঠাকুরের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভাই শান্তনুকে বললাম, এই মন্দিরটা তো আরও বড় করতে হবে। তিনি বললেন, জমি তো আছে, কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্য কই? এটা শুনে আমি ভেবে নিলাম। আজ বলে যাচ্ছি, মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির হবে। তীর্থক্ষেত্রের ট্রাস্টের অর্থ থেকে সেটা হবে। সব ব্যবস্থা হয়ে গেলে ভূমিপুজোয় আমি নিজে আসব, প্রধানমন্ত্রীও আসবেন।”

১ নভেম্বর, রবিবার। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির মন্দিরে পুজো মুখ্যমন্ত্রীর, নিজস্ব ছবি

ঠাকুরবাড়ির ঠিক সামনেই শ্বেতমন্দিরটি মতুয়াদের পবিত্রতম স্থান। রবিবার সেখানে পৌঁছে প্রথম ওই মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বনগাঁর সাংসদ তথা মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরের উদ্দেশে বলেন, ‘‘ভাই শান্তনুকে বললাম, এই মন্দিরটা তো আরও বড় করতে হবে। তিনি বললেন, জমি তো আছে, কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্য কই? এটা শুনে আমি ভেবে নিলাম। আজ বলে যাচ্ছি, মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির হবে। তীর্থক্ষেত্রের ট্রাস্টের অর্থ থেকে সেটা হবে। সব ব্যবস্থা হয়ে গেলে ভূমিপুজোয় আমি নিজে আসব, প্রধানমন্ত্রীও আসবেন।” তাঁর আরও ঘোষণা, ‘‘বারুণী মেলা নিয়ে হাই কোর্টে যেতে হবে না। ওই মেলায় বিশেষ বিশেষ সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। ধীরে ধীরে জাতীয় মেলায় উন্নীত করা হবে। যেমন শ্রাবণী মেলা, তারকেশ্বরে জলাভিষেক, পুষ্পবৃষ্টি হয়েছে, ঠিক সেভাবেই বারুণী মেলাকেও বাড়িয়ে তোলা হবে।” 

ঠাকুরনগরের উন্নতির জন্য আলাদা পুরসভা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, ‘‘আগামী বাজেটে ঠাকুরনগরে পুরসভা তৈরির জন্য অর্থ বরাদ্দ করব। ধাপে ধাপে কাজ হবে। এখানে তৃণমূল জমানায় যে অত্যাচার হয়েছে, তা আর হবে না, কথা দিলাম। মতুয়ারা সবাই যাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান, তা দেখব। আমি আপনাদের সেবক, সেবা করে যাব।” সবমিলিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সারমর্ম ছিল মতুয়াদের আপন করে নেওয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language