পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে এক যুবতীকে মিনাখাঁ থানা এলাকার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল দুই যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মিনাখাঁ থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্য়াপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগণার জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ওই যুবতী। তাঁর সঙ্গে পূর্ব পরিচয় ছিল বসিরহাটের মিনাখাঁ থানা এলাকার অভিযুক্ত দুই যুবকের। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই ওই দুই যুবক যুবতীকে মিনাখাঁর (Minakhan) একটি গোপন আস্তানায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। যুবতীর দাবি, সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের রবিবার বসিরহাট আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। ঘটনার পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে যুবতীর পূর্ব পরিচয়ের সূত্র কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এর আগে গত ২৫ অক্টোবর, গাইঘাটায় এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ওই দেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগে প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা যায়, ধৃত ব্যক্তি ওই পরিবারের আত্মীয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দোষীর কড়া শাস্তির দাবিতে চলে বিক্ষোভ। ঘটনার পরেই বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
জানা যায়, সোমবার রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্তকে। পুলিশের দাবি, পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রহ্লাদ। আটকানোর চেষ্টা হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করেন তিনি। ঘটনায় আহত হন এক পুলিশ কর্মীও। সেই সময় আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায় পুলিশও। সেই সময় গুলিবিদ্ধ হন অভিযুক্ত ওই যুবক। গুরুতর অবস্থায় বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, প্রহ্লাদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মিনাখাঁয় গণধর্ষণের শিকার যুবতী।
