প্রায় ১০ দিন পর ঘরে ফিরছে ‘পলাতক’ বাঘিনি। এনটিসিএ অর্থাৎ জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ায় অসমের বনাঞ্চল থেকে তাকে ফের বক্সার জঙ্গলে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করে তারপর অসমের রাইমোনা থেকে বাংলায় আনা হবে। সোমবার এনটিসিএ-র অনুমোদন পাওয়ার পরই অসমে পৌঁছে বাঘিনিকে ফেরানোর তোড়জোড় করেন বনমন্ত্রী। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় আর কোনও কাজ হয়নি। তবে এনিয়ে আর বিলম্ব করতে নারাজ রাজ্য সরকার। তাই মঙ্গলবার ভোর থেকেই বাঘিনি ধরার কাজ শুরু হয়েছে।
বনাঞ্চলের একই করিডর হলেও যেহেতু ভিন রাজ্য, তাই অসম থেকে বাঘিনিকে ফেরাতে প্রয়োজন ছিল এনটিসিএ বা জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি। সেই অনুমতি চাওয়া হয়েছিল রাজ্যের বনদপ্তরের তরফে। শনি ও রবিবার দপ্তর বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যায়নি। সোমবার প্রত্যাশিত অনুমতি মেলার পরই বাঘিনিকে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়।
বিহার থেকে বক্সায় আনা পূর্ণবয়স্ক একটি বাঘিনি গত ২৪ অক্টোবর বাংলার জঙ্গলের সীমা পেরিয়ে ঢুকে পড়েছিল অসমের জাতীয় উদ্যান রাইমোনায়। তার গলায় রেডিও কলার থাকায় অবস্থান চিহ্নিত করতে অসুবিধা হয়নি। কেন সে পালিয়ে গেল? এনিয়ে হাজারও জল্পনার মাঝে বনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এ কোনও অস্বাভাবিক নয়। নিজেদের স্থায়ী বাসস্থান খুঁজতে অনেক সময়েই জঙ্গলের দীর্ঘ করিডর ধরে হাঁটাহাঁটি করে বাঘ। তারপর পছন্দমতো স্থানে থাকতে শুরু করে। বক্সার বাঘিনির ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই ঘটেছে। বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ নিজে রাইমোনার জঙ্গলে গিয়ে বাঘিনিকে বাংলায় ফেরানোর উদ্যোগ নেন। এবিষয়ে দু’রাজ্যের বনাধিকারিকরা আলোচনার মাধ্যমে একমতও হন।
তবে বনাঞ্চলের একই করিডর হলেও যেহেতু ভিন রাজ্য, তাই অসম থেকে বাঘিনিকে ফেরাতে প্রয়োজন ছিল এনটিসিএ বা জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি। সেই অনুমতি চাওয়া হয়েছিল রাজ্যের বনদপ্তরের তরফে। শনি ও রবিবার দপ্তর বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যায়নি। সোমবার প্রত্যাশিত অনুমতি মেলার পরই বাঘিনিকে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়। বক্সার বনকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের একটি দল গত সাতদিন ধরে রাইমোনায় ছিলেন। বাঘিনি যে এলাকায় রয়েছে, সেই জায়গা ইতিমধ্যেই নেট দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সোমবার আর তাকে ধরার চেষ্টা করা হয়নি। মঙ্গলবার ভোর হতেই ট্র্যাঙ্কুলাইজ করে বাঘিনিকে বক্সায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে।
