কাছে বলতে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল। সেখান থেকে রোগীকে রেফার করলে নিয়ে যেতে হত শিলিগুড়ি হাসপাতালে। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া, দমনপুর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের দাবি ছিল অনেক দিনের। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকার জেলায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো জমি দেখার কাজও শুরু হয়েছিল। জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির জন্য জমি দিল ডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষ। ডাবরি চা বাগান লাগোয়া দমনপুরে ওই ৯০ একর জমি দেওয়া হয়েছে।
আজ, রবিবার ওই জমি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক পরিতোষ দাস। আলিপুরদুয়ারের মহকুমা শাসক রিচার্ড লেপচা ও মাঝের ডাবরি চা বাগানের ম্যানেজার চিন্ময় ধর এদিন উপস্থিত ছিলেন। দ্রুত ওই এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক। এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ হবে, এই খবর ছড়াতেই আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এলাকার কোনও মানুষ অসুস্থ হলে আশপাশে চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। তাঁদের নিয়ে যেতে হয় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে রেফার করলে নিয়ে যেতে হত শিলিগুড়িতে। ফলে এত দূরের জার্নিতে অনেক রোগী পথেই মারা যেতেন বলে খবর। দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় হাসপাতালের দাবি উঠেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যে পালা বদলের পরই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির ঘোষণা করে রাজ্য সরকার।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জেলার তপসিখাতা, বীরপাড়া ও দমনপুর এই তিন জায়গাতে মেডিক্যাল কলেজের জন্য জমি দেখে রাজ্য সরকার। কিন্তু দমনপুরে চা বাগানের জমিতেই সব সুবিধে রয়েছে। যাতায়াতের জন্য পাশেই জাতীয় সড়ক রয়েছে। সব চিন্তাভাবনা করেই ওই এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। চা বাগান কর্তৃপক্ষ জমির জন্য এনওসি দিল। ফলে ওই স্থানে মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে রাজ্য সরকার। বিধায়ক পরিতোষ দাস জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের দাবি, স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে এলাকার বাসিন্দাদের। মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হলে সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। পাশাপাশি পড়ুয়ারাও এখানে সুযোগ পাবে। দ্রুত ওই এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।
