যৌনতৃপ্তি মেটাতে নিজের পুরুষাঙ্গের ভিতরে ঢুকিয়েছিলেন খোলা সেফটিপিন ও হেয়ার ক্লিপ। তারপরেই আটকে যায় মূত্রনালির ভিতরে। অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতিতে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে অস্ত্রোপচার করে সেফটিপিন বের করলেন দুর্গাপুরের ইউরোলজিস্ট ডা. পার্থসারথি চন্দ্র। চিকিৎসকের দক্ষতায় বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গিয়েছে, আসানসোলের দুর্গামন্দির এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণু কেডিয়া। বয়স প্রায় ৪৭ বছর। অল্পবিস্তর মানসিক সমস্যা রয়েছে। সম্প্রতি যৌনতৃপ্তির উদ্দেশ্যে নিজের পুরুষাঙ্গের ভিতরে হেয়ার ক্লিপ ও খোলা সেফটিপিন ঢুকিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। তারপরেই সেগুলি আটকে যায়। তাঁকে ভর্তি করা হয় সিটি সেন্টারের বেসরকারি হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পুরুষাঙ্গের ভিতরে প্রায় ৩০ মিলিমিটার অংশে আটকে যায় দু’টি বস্তু। ভিতরের দিকে ছিল হেয়ার ক্লিপ। আর বাইরের দিকে আটকে ছিল খোলা সেফটিপিন। ধারালো সেফটিপিনটি বের করতে গিয়ে মূত্রনালিতে আঘাত লাগার আশঙ্কা ছিল।

বেশ কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করে সেফটিপিনটি বের করা হয়। চিকিৎসক ডা: পার্থসারথি চন্দ বলেন, “অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে আটকে ছিল সেপটিপিনটি। ওই সেফটিপিনটি খোলা অবস্থায় ছিল। তার সাথে হেয়ার ক্লিপও ছিল। ওই ব্যক্তি যৌনতৃপ্তি মেটাতে এই কাজ করে থাকতে পারে। এর আগেও একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল। তবে এবারের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক ছিল। কিন্তু আমরা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ওই দু’টি বস্তু বের করেছি। আপাতত তিনি সুস্থ। তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে।”
