ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ঐতিহাসিক জয় পাকিস্তানের। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৩২৬ রান তাড়া করে জিতল পাক বাহিনী। সেঞ্চুরি ফখর জামানের। আর এই জয়ের সৌজন্যে ২৪ বছর আগে লর্ডসে ভারতের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব ছুঁয়ে ফেলল পাকিস্তান।
আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার প্রস্তুতিতে নিজেদের দেশে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা। লাহোরে প্রথমে ব্যাট করে লঙ্কা বাহিনী ৩২৫ রান তোলে। ১৩১ রান করেন কামিন্দু মেন্ডিস। ৭৭ রান করেন পবন রত্ননায়ক। জবাবে শুরুতেই দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাবর আজম রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তবে ফখর জামান একাই একশো। যোগ্য সঙ্গে দেন সাদ বেগ ও আরাফাত মিনহাস। আর ফখর ৯৯ বলে ১২৭ রান করেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১১টা চার ও ৬টা ছক্কা। ৯ বল বাকি থাকতেই ৩৩১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান।
ওয়ানডের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন শাহিন আফ্রিদিরা। ২০০২ সালে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩২৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। সেই ম্যাচ ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। লর্ডসে ম্যাচ জেতার পর জার্সি খুলে উড়িয়ে ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে সেটাই ছিল সর্বোচ্চ রান তাড়ার নজির। ২৪ বছর পর এবার তাতে ভাগ বসাল পাকিস্তান। আকর্ষণীয় বিষয় হল, ২০০৮-র পর পাকিস্তান এতদিন পর্যন্ত কোনও ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ জেতেনি। শাহিন আফ্রিদির নেতৃত্বে সেই সাফল্যও অর্জন করল তারা।
ওয়ানডে ফাইনালে সর্বোচ্চ সফল রানতাড়া
ভারত বনাম ইংল্যান্ড – ৩২৬ (২০০২, লর্ডস)
পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা – ৩২৬ (২০২৬, লাহোর)
ভারত বনাম পাকিস্তান – ৩১৫ (১৯৯৮, ঢাকা)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাকিস্তান – ২৮৫ (১৯৯৩, শারজাহ)
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত – ২৭৭ (২০০৫, হারারে)
