ক্লাব হোক বা দেশ-সব জার্সিতেই গত মরশুমে তিনি ছিলেন দুরন্ত। সেই অনবদ্য পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি এবার পেলেন হ্যারি কেন। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতলেন ইংরেজ তারকা। পঁচিশ বছর পর কোনও ইংরেজ ফুটবলারের হাতে উঠল বর্ষসেরার সম্মান। বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অর হাতছাড়া হল ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের।
বায়ার্ন মিউনিখ তারকা হ্যারি গত মরশুমে ক্লাবের হয়ে জিতেছেন বুন্দেশলিগা-সহ জোড়া ট্রফি। বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড ওঠে সেমিফাইনাল পর্যন্ত। তারপর ব্রোঞ্জ জিতে মেগা টুর্নামেন্ট শেষ করেন জুড বেলিংহ্যামরা। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা পারফরম্যান্স। প্রথমবার তৃতীয় স্থানের ম্যাচ জিতে পদক পায় ইংল্যান্ড। পরিসংখ্যান বলছে, গত মরশুমে ৬৫ ম্যাচে কেনের পা থেকে এসেছে ৭৩ গোল। আটটি অ্যাসিস্টও করেছেন। দারু পারফরম্যান্সের পর তাঁর ঝুলিতে এল প্রথম ব্যালন ডি’অর।
স্রেফ ব্যালন ডি’অর নয়, সোমবারের মায়াবী রাতে গার্ড মুলার পুরস্কারও পেয়েছেন হ্যারি। সর্বোচ্চ গোলদাতার হাতে তুলে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। জোড়া পুরস্কার পেয়ে অভিভূত ইংরেজ তারকা বলেন, “এই পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে আমি ছাড়াও আরও অনেকে ছিল যাঁরা প্রত্যেকেই দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। তাঁদের মধ্যে থেকে আমাকে বেছে নিয়েছেন, আমাকে ভোট দিয়েছেন সেজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।” ষষ্ঠ ব্রিটিশ তারকা হিসাবে ব্যালন ডি’অর পেলেন হ্যারি।
কোন ফুটবলার কত ভোট পেয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, অতি সামান্য ব্যবধানে এমবাপেকে পিছনে ফেলেছেন হ্যারি। ফরাসি অধিনায়ক এমবাপে রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন লামিনে ইয়ামাল, রড্রি এবং লিওনেল মেসি। গতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে রয়েছেন সপ্তম স্থানে। বিশ্বকাপে হইচই ফেলে দেওয়া নরওয়ের আর্লিং হালান্ড অষ্টম স্থানে রয়েছেন।
