দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ। সেই ঘটনা জেনে থানায় গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম। অভিযোগ, সেখানেই একপক্ষের হাতে আক্রান্ত হলেন তিনি! বিজেপি বিধায়ক জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায়। সোমবারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও জোর শোরগোল ছড়িয়েছে।
অভিযোগ, দলের একাংশের হাতেই আক্রান্ত হলেন বিধায়ক শুভাশিস ওম। বর্তমানে জখম অবস্থায় তিনি ডেবরা সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ছয়জনের বিরুদ্ধে ডেবরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের তির বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতির অনুগামীদের দিকে। সোমবার দুপুরে ডেবরা ব্লক কার্যালয়ে অবস্থিত ডুঁয়া (১০/২) গ্ৰাম পঞ্চায়েত ভবনের সামনে দু’পক্ষের মধ্যে আবাস যোজনা সহ ভিবিজী-রামজি প্রকল্পের ফর্ম তোলা ও জমা করা নিয়ে গন্ডগোল শুরু হয়। অভিযোগ, বিডিও কার্যালয় চত্বরে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
ঘটনার পর দু’পক্ষই থানায় যায়। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছিলেন বিধায়ক শুভাশিস ওম। অভিযোগ, সেখানে ফের উভয়পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। আক্রান্ত হন খোদ বিধায়ক! পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিনের বিবাদে বিধায়ক-সহ মোট ৭জন জখম হয়েছেন। বিধায়ককে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাস। বিধায়ক শুভাশিস ওম বলেন, “একটি অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির অভিযোগ আসছে। দলের কিছু কর্মী চাইছিল দুর্নীতি বন্ধ হোক। প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। সেই নিয়ে গন্ডগোল।”
বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, “আমি জানি না কী হয়েছে। আর কোথায় কী তোলাবাজি হয়েছি, তাও জানি না। তবে কিছু কিছু জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ এসেছে। তাতে দলের কর্মীরা কেউ যুক্ত রয়েছেন কিনা বলতে পারব না। আর কর্মীরা কিছুদিন আগে ভোটে বিধায়ক তৈরি করেছেন। আভ্যন্তরীণ কোনও বিষয় থাকলে বসা যেত। কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে বিবাদ না করাই ভাল।”
