রয়েছে মাত্র ৩ জন কাউন্সিলর। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইংরেজবাজার পুরসভা নিজেদের দখলে রাখল বিজেপি। নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ি। তিনি এই পুরসভার কাউন্সিলরও। তাঁকে সমর্থন করেন বিজেপির আরও দুই কাউন্সিলর এবং দলত্যাগী তৃণমূল কাউন্সিলররা।
কয়েকদিন আগে ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। এরপর ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়াল পুরসভার দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। বুধবার ইংরেজবাজার পুরসভায় নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন ছিল। তার আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়েন ১১ জন কাউন্সিলর। এর মধ্যে ছিলেন সুমালাও। বুধবার দুপুরে দলবদ্ধভাবে মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে সদর মহকুমাশাসক শম্ভুনাথ সরকারের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন তাঁরা। পদত্যাগের পর নিজেদের নির্দল কাউন্সিলর হিসেবে দাবি করেন ওই ১১ জন। এরপর পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনে হাজির হন তাঁরা। অম্লান ভাদুড়ির নাম চেয়ারম্যান হিসেবে প্রস্তাব করেন বিজেপি কাউন্সিলর সুতপা মুখোপাধ্যায়। তাঁকে সমর্থন করেন বিজেপির কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথ। তৃণমূলের দলত্যাগী কাউন্সিলররাও তাঁকেই সমর্থন জানান।
উল্লেখ্য, ইংরেজবাজার পৌরসভা ২৯ আসন বিশিষ্ট। গত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রতীকে ২৫ জন জয়ী হয়েছিলেন। বিজেপি কাউন্সিলর ছিলেন ৩ জন। একজন নির্দল প্রতীকে জিতেছিলেন। ২ বছর আগে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর বাবলা সরকার। এদিন পদত্যাগকারীদের মধ্যে ছিলেন সুমালা আগরওয়াল, শুভময় বসু, সুব্রত সরদার, সুজিত সাহা, প্রসেনজিৎ ঘোষ, পলি সরকার, সুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উদয় চৌধুরী, শিপ্রা রায়, সঞ্জয় কুমার দে ও পূজা দাস। একসঙ্গে ১১ জন কাউন্সিলরের দলত্যাগের ঘটনায় ইংরেজবাজার পৌরসভার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
