শিক্ষক নিয়োগে নতুন ‘শর্ত’। নবনিযুক্ত শিক্ষকরা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। দাঁড়াতে পারবেন না কোনও নির্বাচনে। শুধু সরকারি স্কুলের ক্ষেত্রেই নয়, সরকার-পোষিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হল। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে ব্যাখ্যা করেন শুভেন্দু। তবে যে শিক্ষকরা ইতিমধ্যেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তারা কী করবেন? সেই ব্যাখ্যাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্য ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু জানান, ভারতের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকেন না। এতদিন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনেকেই প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতেন। নবনিযুক্ত শিক্ষক শিক্ষিকারা আর সেই সুযোগ পাবেন না বলে জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাহলে ইতিমধ্যে যে সব শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কী হবে? শুভেন্দু জানান, তাঁদের অধিকার খর্ব করা হবে না। তবে আজকের পর থেকে নিযুক্ত আর কোনও শিক্ষক প্রত্যক্ষ রাজনীতি বা ভোট রাজনীতি করতে পারবেন না। তাঁরা পুরসভা, কর্পোরেশন, বিধানসভা বা লোকসভায় লড়তে পারবেন না।
বুধবার ক্যাবিনেট বৈঠকে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য নতুন শর্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্য়মন্ত্রী জানান, রাজ্যে পালাবদলের পর মোট ৬০ হাজার নতুন নিয়োগে অনুমোদন মিলেছে।
