তাঁর লেখা-সুরে দুর্গাবন্দনা, কালীবন্দনা শোনা গিয়েছিল আগেই। এবার তিনি বড়দিনের গান লিখে ফেললেন। প্রথমবার ক্রিসমাস উদযাপনে, যিশুবন্দনায় সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমন। শুক্রবার গান লিখে রেকর্ড করে তা সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি। জানিয়েছেন এই সৃষ্টির নেপথ্য কারণও। জানালেন নিজের প্রয়াত বাবার ইচ্ছার কথা। এই মুহূর্তে বাংলা ভাষায় খেয়াল রচনার মতো যুগান্তকারী কাজ করে চলেছেন কবীর সুমন। সেইসঙ্গে খেয়াল ও আধুনিক গানের দু, একটি অনুষ্ঠানও করছেন। তবে তার মাঝেই বড়দিনকে সামনে রেখে নতুন গান লিখলেন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী।
গানটি শুরু হচ্ছে এভাবে – ‘উজ্জ্বল এক তারা/দেখতে পেয়েছে যারা/ তাদের বুকের গান/বেথলেহেমের বুকে/গরিবের সুখে-দুখে/এসেছে পরিত্রাণ।’ গানের পরের স্তবকগুলিতে বেথলেহেমের বর্ণনায় চুপিসারে উঠে এসেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের কথা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কবীর সুমন বড়দিনের গানে নিয়ে এসেছেন প্রেম, ভালোবাসা, সর্বহারাদের কথা। লিখছেন, ‘পথ একটাই প্রেম/জেনেছে বেথলেহেম/জেনেছে সর্বহারা/যিশু দিয়েছেন ভাষা/ঘৃণা নয়, ভালোবাসা/আজও জ্বলে সেই তারা।’
শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে নতুন গানের কথা ঘোষণা করেছেন কবীর সুমন। জানিয়েছেন, ওইদিনই তিনি প্রথমবার বড়দিনের জন্য গান লিখলেন এবং গাইলেন। গানটি শুরু হচ্ছে এভাবে – ‘উজ্জ্বল এক তারা/দেখতে পেয়েছে যারা/ তাদের বুকের গান/বেথলেহেমের বুকে/গরিবের সুখে-দুখে/এসেছে পরিত্রাণ।’ গানের পরের স্তবকগুলিতে বেথলেহেমের বর্ণনায় চুপিসারে উঠে এসেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের কথা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কবীর সুমন বড়দিনের গানে নিয়ে এসেছেন প্রেম, ভালোবাসা, সর্বহারাদের কথা। লিখছেন, ‘পথ একটাই প্রেম/জেনেছে বেথলেহেম/জেনেছে সর্বহারা/যিশু দিয়েছেন ভাষা/ঘৃণা নয়, ভালোবাসা/আজও জ্বলে সেই তারা।’
গানশেষে কবীর সুমন জানিয়েছেন এই রচনার প্রকৃত কারণ। আগেও তিনি বহুবার বলেছেন, তাঁর প্রয়াত বাবা, সঙ্গীতকার সুদিন চট্টোপাধ্যায় ছেলের উপর বাংলায় খেয়াল রচনার ভার দিয়ে গিয়েছিলেন। শুক্রবারের ফেসবুক পোস্টে জানান, খেয়াল রচনার পাশাপাশি কবীর সুমন যাতে বড়দিন উপলক্ষে বাংলায় মৌলিক গান রচনা করেন, সেই ইচ্ছের কথাও প্রকাশ করেছিলেন। তাই প্রথম বড়দিনের গানটি তিনি বাবাকেই উৎসর্গ করেছেন বলে জানালেন গায়ক।
