দুর্গাপুজো মিটেছে। দুয়ারে কালীপুজো। আসন্ন জগদ্ধাত্রী পুজো। রয়েছে ছটপুজোও।দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়বে মণ্ডপে, ঘাটগুলিতে। চোরবাগান কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে জন সাধারণের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল প্রশাসন।
দর্শনার্থীদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মণ্ডপের প্রবেশ প্রস্থানের পথ কেমন হবে। ঘাটগুলির নিরাপত্তায় কী কী করতে হবে। পাশাপাশি পরিছন্নতা নিয়ে নির্দেশ জারি করেছে নবান্ন।পুজো কমিটিগুলিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মণ্ডপে যথেষ্ট আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ যেন চওড়া হয় খেয়াল রাখতে হবে সেই দিকও। কোনওভাবেই যেন মণ্ডপের ভিতরে দর্শনার্থী ভিড় উপচে না পড়ে তা দেখতে হবে। রাখতে হবে প্রয়োজনীয় স্বেচ্ছাসেবক। পাশাপাশি কোন মণ্ডপে কত ভিড় হয়, সেই কথা মাথায় রেখে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। রাখতে হবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও। সব ব্যবস্থা ঠিক আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ ও প্রশাসন।
দর্শনার্থীদের ভিড়ের পাশাপাশি মণ্ডপে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়েও নির্দেশ জারি করা হয়েছে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে দমকলের পৌঁছে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঘাটগুলির নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে। নৌকাগুলিতে লাইফ জ্যাকেট রাখার পাশাপাশি, যাতে আলোর খামতি কোথাও না থাকে সেই বিষয়েও খেয়াল রাখার কথা বলা হয়েছে। কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোর পর ছটপুজো রয়েছে। সেক্ষেত্রে ঘাটগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে পর্যাপ্ত আলো ব্যবস্থা রাখতে হবে। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য আলাদা ঘর করার কথা বলা হয়েছে। সব মিলিয়ে চোরবাগান কাণ্ডের পর সতর্ক প্রশাসন।
