দীপাবলি মানে আলোর রোশনাই। তার সাথে বাজিও যেন বাধ্যতামূলক। পরিবেশবান্ধব বাজি ফাটানোর অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর তারপর থেকেই পরিবেশবান্ধব বাজির চাহিদা তুঙ্গে। কেনাকাটির আগে জেনে নিন কোন কোন বাজি বাজারে ইন।
- এই মুহূর্তে শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় স্ন্যাপ ক্র্যাকার্স। মাটিতে ছুড়ে ফেললেই ফাটে। সামান্য শব্দও হয়। সম্পূর্ণ ধোঁয়াহীন এবং বারুদ ছাড়া তৈরি এই বাজি বিপজ্জনকও নয়।
- রং বদলানো চড়কির এবার ব্যাপক চাহিদা। মাটিতে ঘোরার সময় কখনও লাল। কখনও নীল আবার কখনও সবুজ রঙের ছটা দেখা যায়। যা দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যেতে পারে।

- ম্যাজিক ফাউন্টেন ও থ্রি ইন ওয়ান তুবড়িও চাইলে কিনতে পারেন। এই ধরনের তুবড়ি জ্বালালে প্রথমে লাল, সবুজ এবং শেষে রুপোলি রং বেরয়। কিছু কিছু তুবড়িতে শব্দও থাকে।
- আলোর সঙ্গে হালকা শব্দ যদি চান তবে ক্র্যাকিং স্পার্কলার্স কিনতে পারেন। শিশুরা এই বাজিটি খুবই পছন্দ করে। আবার ধোঁয়া খুব বিপজ্জনক নয়।
- এছাড়া মিউজিক্যাল শেলও কিনতে পারেন। মিষ্টি শব্দের এই বাজি আকাশে গিয়ে ৩০ কিংবা ৫০ বার পর্যন্ত ফাটতে পারে।
কালীপুজোর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ ও মহেশতলার বলরামপুর ও চিংড়িপোতায় বাজি ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। বাজিবাজারে এবার ব্যাপক চাহিদা লাইটিং লোটাস, গদার মতো চমকপ্রদ রকমারি আলোর বাজির। আর চরকি, ফুলঝুরি, রংমশাল তো রয়েছেই। আলোর বাজির রকমারি সম্ভারে শব্দবাজির চাহিদা অনেকটাই কমেছে বলে মনে করছেন আতসবাজি শ্রমিক কর্মচারী ও ব্যবসায়ী সমিতি।
