Hashtagintro

‘ভিলেন’ সেই এল নিনো! বিদায় নিচ্ছে বর্ষা, একাধিক রাজ্যে জল সংকট

বর্ষা বিদায়ের মুখে। এই পরিস্থিতিতে দেশের একাধিক রাজ্যে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে জল সংকটের ভয়াবহ ছবি। জলবায়ু পরিবর্তন ও এল নিনোর প্রভাবে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মহারাষ্ট্র, গুজরাট এবং কর্নাটকের জলাধারগুলিতে জলের স্তর উদ্বেগজনকভাবে কমে গিয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে অন্তত ১০ শতাংশ জল রেশনিংয়ের কথা ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। সংবাদ সংস্থার খবর, একই চিত্র ধরা পড়েছে প্রতিবেশী রাজ্য গুজরাটেও। গুজরাট স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ২০৬টি বাঁধের মধ্যে ১০৯টি বাঁধেই জলের পরিমাণ ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছে। যদিও সর্দার সরোবর বাঁধ পূর্ণ ক্ষমতার ১৩৮.৬৮ মিটারে পৌঁছেছে, তবু নদী অববাহিকা ভেদে রাজ্যের বিশাল অংশে তীব্র জলকষ্টের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, কর্নাটকে ২৪০টি তালুকের মধ্যে ১৭৭টি তালুককে খরাপীড়িত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গোটা ছবিটা রীতিমতো ভীতিপ্রদ।

ঠিক কী এই এল নিনো? প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পেরুর পাশে ভূপৃষ্ঠের উত্তপ্ত হওয়াকেই এল নিনো বলে। এল নিনোর ধাক্কায় সমুদ্রের তাপমাত্রা ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বেড়ে যেতে পারে। মোটামুটি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর এল নিনোর প্রভাবে সারা বিশ্বের আবহাওয়াই প্রভাবিত হয়। এবার ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, এল নিনো কেবলই একটা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সূচক মাত্র হয়ে থাকছে না। বরং তা এবার দেশের কৃষি, শক্তিক্ষেত্র, পরিবহণ, খাদ্য সংকটে প্রবল প্রভাব ফেলতে চলেছে। বলা হচ্ছে, এল নিনো এখনও তার সর্বোচ্চ আকার ধারণ করেনি।

আশঙ্কা, নভেম্বর-ডিসেম্বরে তা সবচেয়ে ভয়াল আকার নিতে পারে। আরও বিশদে বললে সেপ্টেম্বর থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালেই ওই পরিমাণে প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বলা হয়েছে, ভারত থেকে নাইজিরিয়া হয়ে আমেরিকা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্টি হবে খরা, দাবানল ও বন্যা। এর ফলপ্রসূ চার লক্ষ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language