Hashtagintro

আকাশে উঠবে ‘শিকারির চাঁদ’! শনিবারই ‘সলতে পাকানো’ শুরু আকাশে

পৃথিবীর যত রূপ-রং, তার চেয়ে বিশেষ কম নয় তার উপগ্রহের অপরিমেয় সৌন্দর্য। চাঁদের অপরূপ রূপ কতশত কাব্যেরই না জন্ম দিয়েছে! বিশেষত পূর্ণিমার পূর্ণচন্দ্র। এবার আকাশে উদিত হবে ‘শিকারির চাঁদ’। যার ‘সলতে পাকানো’ শুরু হবে শনিবার। কেননা সেদিনই দেখা মিলবে নতুন চাঁদের। সরু একফালি থেকে ক্রমান্বয়ে পূর্ণতা পাওয়ার পরে দেখা যাবে পূর্ণশশী। সেদিনই কোজাগরী পূর্ণিমা। শরৎকালের এই পূর্ণচন্দ্রকে বলা হয় ‘হান্টার্স মুন’। যার দেখা পেতে মুখিয়ে আকাশপ্রেমীরা।

কেন এমন নাম? আসলে প্রাচীনকালে শরৎকালে কৃষকেরা মাঠ থেকে ফসল কেটে নেওয়ার পর মাঠগুলো হয়ে যেত শূন্য, রিক্ত। এই সময় পূর্ণিমার দিনে চাঁদের উজ্জ্বল আলোয় শিকারিরা সহজেই হরিণ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখতে পেতেন। ফলে শিকার করা হয়ে যেত অনেকটাই সহজ। যার ফলে এই চাঁদকে ডাকা হয় ‘হান্টার্স মুন’ নামে। দিগন্তের কাছাকাছি ওঠার সময় এই চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার চেনা চেহারার চেয়ে বেশ কিছুটা বড় দেখায়। সোনালি বা কমলা রঙের দেখায় তাকে।

আর চাঁদের সেই অপরূপ রূপ দেখার ‘সলতে পাকানো’ শুরু হবে শনিবার। তবে ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সেই চাঁদ দেখা যাবে রবিবার। যেহেতু এই সময় চাঁদ থাকে একফালির, সেই সৌন্দর্য দেখেও মুগ্ধ হন আকাশপ্রেমীরা। এই চাঁদকেই এরপর বড় হতে দেখা যাবে একটু একটু। সেই অপেক্ষারই কাউন্টডাউন শুরু হবে এদিন থেকে। অপেক্ষা, কবে দেখা যাবে ‘শিকারির চাঁদ’কে।

তবে চাঁদের এহেন বিশেষ নামকরণ নতুন নয়। বছরের বিভিন্ন সময়ে নানা নামে ডাকা হয় চাঁদকে। ‘উলফ মুন’, ‘স্নো মুন’, ‘ওয়ার্ম মুন’, ‘ফ্লাওয়ার মুন’ এমনই নানাবিধ নামকরণ। আর এই প্রত্যেক নামের নেপথ্যেই রয়েছে নির্দিষ্ট কারণ। তবে নাম যাই থাক, তার মানে এই নয়, যে বিভিন্ন পূর্ণিমায় চাঁদের চেহারা একেক রকম হবে। আকারে কিছুটা তারতম্য থাকলেও আসলে তা সেই চিরচেনা পূর্ণিমার অসামান্য বিভাই ছড়িয়ে দেয়। যে দৃশ্য যুগ যুগ ধরে দেখার পরও নতুন মনে হয়। যুগ যুগ পরেও মনে হবে।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language