Hashtagintro

চোরবাগানকাণ্ডের পর নৈহাটির বড়মার পুজোয় নজর, কতটা বাড়তি নিরাপত্তা?

নৈহাটির বড়মার কালীপুজোয় লক্ষ লক্ষ্য ভক্ত সমাগম হয়। সরু গলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণেও সমস্যা হয় অনেক সময়। এবার দুর্গাপুরে কলকাতার চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে। সেই ঘটনার পর পুজোর বাকি দিনগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে আরও সজাগ হয়েছিল অন্যান্য বড়-ছোট পুজো কমিটিগুলি। এবার চোরবাগানকাণ্ডের পর নৈহাটির বড়মার কালীপুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ভাবনাচিন্তা চলছে। বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্দির কমিটি।

গত বছর প্রায় এক লক্ষ ভক্ত দণ্ডি কেটেছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নিরাপত্তায় থাকবেন পাঁচশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক, এনসিসি কর্মী ও মহিলা পুলিশ। থাকবে ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসা পরিষেবা ও প্রায় চারটি টোটো অ্যাম্বুল্যান্স। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে কমিটির মুখপাত্র অনন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রশাসনের তত্ত্বাবধানেই পুজো হবে। ২৯ অক্টোবর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর নিরাপত্তার চূড়ান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।”

জানা গিয়েছে, দণ্ডি কাটতে গিয়ে কেউ অসুস্থ হলে তাঁকে উদ্ধারে বিশেষ দল থাকবে। যানজটে বড় অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছতে সমস্যা হলে টোটোয় অসুস্থকে অরবিন্দ রোডে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে ওই রোগীকে হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিভিন্ন মোড়ে সাধারণ ও আইসিইউ অ্যাম্বুল্যান্সের পাশাপাশি চিকিৎসক, ওআরএস ও জরুরি ওষুধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, মহিলা দণ্ডি কাটিয়েদের সুবিধায় বাড়ানো হবে মহিলা পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যাও। দণ্ডির সময়সীমা নিয়ে কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, “৭ নভেম্বর থেকে দণ্ডি শুরু। ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময়সীমা। তারপর কেউ এলে পরিস্থিতি পুলিশ সামলাবে। দণ্ডি ভক্তদের আবেগের বিষয়, তাই আমরা কাউকে নিষেধ করতে পারব না।”

আগামী ২৯ অক্টোবর মন্দির প্রতিষ্ঠা দিবসে পুজো, যজ্ঞ, ধর্মীয় পাঠ ও ভোগ বিতরণের আয়োজন রয়েছে। দুপুর ২টো পর্যন্ত ভক্তদের পুজো নেওয়া হবে। এরপর যজ্ঞের প্রস্তুতিতে পুজো বন্ধ থাকলেও দর্শন চলবে। ২ থেকে ৭ নভেম্বর মানসিক পুজো এবং ৭ ও ৮ নভেম্বর সন্দেশ ও ফলের পুজো নেওয়া হবে। অনলাইনেও পুজো দেওয়া যাবে। প্রসাদ বিতরণের কাউন্টার বাড়ানোর পাশাপাশি রেললাইনের ওপারেও কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান পুজোর রাতে অঞ্জলির পর প্রসাদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বিতরণ চলবে। যান চলাচলের রুটম্যাপ তৈরিতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, নিত্যযাত্রী ও ফেরিঘাটের যাত্রীদের সুবিধাও বিবেচনায় রাখা হবে।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language