নবাবকন্যা সারা আলি খানের কেদারনাথ দর্শন ঘিরে আরও জোরাল হচ্ছে বিতর্ক। ইসলাম ধর্মবিরুদ্ধ কাজের অভিযোগে মৌলবির রোষে অভিনেত্রী। সারার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে ফতেয়া। উত্তরপ্রদেশের ইসলামি ধর্মগুরু মৌলানা মুফতি শাহাবুদ্দিন রিজভি বেরেলভির মতে, অভিনেত্রীর এই পদক্ষেপ ইসলাম ধর্মে ‘হারাম’। এবার সারার কেদারনাথ দর্শনের বিতর্কযজ্ঞে ঘৃতাহুতি দিলেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী (Swami Jitendranand Saraswati)। সেই সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়টিও উসকে ডান্ডিয়াতে মুসলিম মেয়েদের অংশগ্রহণের দাবি।
সংবাদমাধ্যের মুখোমুখ হয়ে স্পষ্ট করেছেন, হিন্দু মন্দিরগুলো কোনও পর্যটনকেন্দ্র নয়। এটি পবিত্র তীর্থস্থান। স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতীর কথায় “বিষয়টি মৌলানাদের দেখা উচিত। নিজেদের বোন ও মেয়েদের থামানো উচিত। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, যদি ইসলাম মনে করে আমাদের ডান্ডিয়াতে মুসলিম ছেলেদের অংশগ্রহণ করা উচিত, তাহলে শুধু ছেলেরাই কেন? তাঁদের পরিবারের সবাই কেন অংশগ্রহণ করবেন না? মেয়েরা কেন বঞ্চিত হবে? ওঁরাও যদি অংশগ্রহণ কবে তবেই বিষয়টি যুক্তিসংগত হবে।”

সারা আলি খান প্রসঙ্গে স্বামীর সংযোজন, “মাদ্রাজ হাইকোর্ট মাত্র তিন দিন আগে একটি রায় দিয়েছে যে, হিন্দু মন্দির কোনও পর্যটনকেন্দ্র নয়, এগুলি তীর্থস্থান। কারও যদি বিশ্বাস ও ভক্তি থাকে তাহলে তিনি মন্দিরে যেতে পারেন। তবে অন্তরের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা থেকে ভগবানের প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করতে হবে। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।” সম্প্রতি সারার কেদারনাথ দর্শন ঘিরে বিতর্ক স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। উত্তরপ্রদেশের ইসলামি ধর্মগুরু মৌলানা মুফতি শাহাবুদ্দিন রিজভি বেরেলভি সারারকে আল্লার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার নিদানও দিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য, “সারার উচিত একজন অপরাধীর মতো অনুতপ্ত হয়ে আল্লাার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন কেদারনাথে সারার উপাসনা করা শরিয়ত অনুযায়ী অনুমোদনযোগ্য কি না। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই, এ ধরনের কাজ কখনই অনুমোদনযোগ্য নয়।” প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের বিপরীতে ‘কেদারনাথ’ ছবির মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক সারা আলি খানের। এরপর বহুবার কেদারনাথ দর্শনের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁর শিবভক্তির মুহূর্ত ঘিরে বিতর্কও হয়েছে বিভিন্নমহলে। মুসলিম কন্যা হয়েও কেন হিন্দু ধর্মের রীতি মেনে কেদারনাথে ছুটে যান? বিতর্ককে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অন্তরের ভক্তিকেই প্রশ্রয় দিয়েছিলেন। কিন্তু,
