Hashtagintro

মধ্যমগ্রামে শ্যামার আরাধনায় ‘ফুল বদল’! দুর্গাপুজো মতোই বদলে যাচ্ছে কমিটি

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর মধ্যমগ্রামের (Madhyamgram) বড় বাজেটের কালীপুজোগুলিতেও (Kali Puja) বদলেছে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ। একসময় যে পুজো কমিটিগুলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের প্রভাব ছিল, তার কয়েকটিতে এখন সক্রিয় বিজেপি শিবির। কোথাও পুরনো উদ্যোক্তারা রাজনৈতিক শিবির বদলেছেন, কোথাও আবার ক্লাবের সাংগঠনিক দায়িত্ব চলে গিয়েছে বিজেপি ঘনিষ্ঠদের হাতে। যদিও কয়েকটি পুজোয় এখনও তৃণমূলের প্রভাব রয়েছে। পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও এবার মধ্যমগ্রামে চর্চা শুরু হয়েছে।

বিজেপির প্রভাব বেড়েছে শ্রীপুরের রবীন্দ্রপল্লী অ্যাথলেটিক, বসুনগরের প্রতাপ সংঘ এবং দেবীগড়ের ইয়ং সেন্টারেও। আগে এই পুজোগুলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের প্রভাব থাকলেও বর্তমানে উদ্যোক্তা ও পরিচালনার দায়িত্বে বিজেপি ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতি বেড়েছে।

চৌমাথার ইয়ং রিক্রিয়েশন ক্লাবের পুজোয় এই পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ছে। একসময় তৃণমূল প্রভাবিত এই পুজোয় বর্তমানে সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ বিজেপির হাতে। তবে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ। ক্লাবের ৩৯তম বর্ষের পুজোয় এবার থিম ‘শান্তির পথে’। থাইল্যান্ডের চিয়াং মাইয়ের ‘হোয়াইট ক্যাসেল’ বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে ১২০ ফুটের মণ্ডপ। পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি সারা বছরই সামাজিক কর্মকাণ্ড চালায় ক্লাব। দুঃস্থদের খাদ্যসামগ্রী ও ওষুধ বিতরণের পাশাপাশি ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্যও সাহায্য করা হয়।

শুধু এই পুজো নয়, বিজেপির প্রভাব বেড়েছে শ্রীপুরের রবীন্দ্রপল্লী অ্যাথলেটিক, বসুনগরের প্রতাপ সংঘ এবং দেবীগড়ের ইয়ং সেন্টারেও। আগে এই পুজোগুলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের প্রভাব থাকলেও বর্তমানে উদ্যোক্তা ও পরিচালনার দায়িত্বে বিজেপি ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতি বেড়েছে। গঙ্গানগরের কয়েকটি পুজো কমিটিতেও একই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতার পালাবদলের পর ক্লাবের দায়িত্ব ও পুজো পরিচালনার ক্ষেত্রে পুরনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে।

তবে মধ্যমগ্রামের সব পুজো কমিটিতে এই পরিবর্তন হয়নি। মেঘদূত শক্তিসংঘে এখনও তৃণমূল নেতৃত্বের প্রভাব রয়েছে। মাইকেলনগরের নেতাজি সংঘের ৫৯তম বর্ষের পুজোর সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ। তাঁর এবং স্থানীয় কাউন্সিলরের সহযোগিতায় এবার কর্নাটকের উদুপি কৃষ্ণমন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। থাকছে মন্দিরের বিখ্যাত ‘কনকন কিন্ডি’র প্রতিরূপ। থাকছে আলোকসজ্জা। পুজোর শেষ দিনে প্রায় দু’হাজার মানুষের পংক্তিভোজের আয়োজন করেছেন নেতাজি সংঘের উদ্যোক্তারা।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language