সামনেই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন। তার আগে এসআইআর বাতিল-সহ একাধিক ইস্যুতে লাগাতার পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধীরা। অতীত ভুলে একমঞ্চে মমতা-সোনিয়া। সঙ্গে বামেরাও। যা নিয়ে রীতিমতো বিরোধী শিবিরকে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। একযোগে আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরী ও মহম্মদ সেলিমকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির পরামর্শ, মমতা, অধীর এবং সেলিমকে একসঙ্গে রাস্তায় নেমে মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার। কিন্তু কেন? সেই ব্যাখ্যাও এদিন দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ।
আসন্ন পুরভোটে ফলাফল নিয়েও আত্মবিশ্বাসী শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শূন্যের সঙ্গে শূন্যের যোগফল শূন্যই হয়। যতই চেষ্টা করা হোক, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা বিজেপির দখলে আসবে। পাশাপাশি বাকি পুরসভাগুলিতেও বিজেপি সাফল্য পাবে বলে দাবি করেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে এখন বিরোধী দল বলে কিছু নেই। তাই পুরসভা ভোটের আগে অন্তত একবার এই তিন বিরোধী নেতাকে পথে হাঁটতে দেখতে চান তিনি। কটাক্ষ করে তাঁর বক্তব্য, “একসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরী, মহম্মদ সেলিম পথে নেমে ভোট চাইবেন। এর থেকে আর ভাল কিছু হতে পারে। আমরা তো এটাই চাই।” শমীক বলেন, “এতদিন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। তৃণমূলের এখন নাম, বর্ণ, গোত্র কিছুই নেই। প্রতীক নেই, মাথার উপর ছাদ নেই, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই।”
এসআইআর ইস্যুতে ও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গেও বিরোধীদের নিশানা করেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, মমতা, অধীর, সেলিমরা রাস্তায় নেমে বাংলার মানুষকে বলুন এসআইআরের নামে ভোট চুরি করেছে জ্ঞানেশ কুমার। প্রসঙ্গত, এর আগে শমীক বলেছিলেন, বাংলায় হওয়া এসআইআর অসম্পূর্ণ। আরও বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারত। রাজ্যে নতুন করে এসআইআরের প্রয়োজন রয়েছে। আসন্ন পুরভোটে ফলাফল নিয়েও আত্মবিশ্বাসী শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শূন্যের সঙ্গে শূন্যের যোগফল শূন্যই হয়। যতই চেষ্টা করা হোক, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা বিজেপির দখলে আসবে। পাশাপাশি বাকি পুরসভাগুলিতেও বিজেপি সাফল্য পাবে বলে দাবি করেন তিনি।