Hashtagintro

লোভী এবং কাপুরুষেরাই কংগ্রেস ছেড়েছেন, দলীয় কর্মীদের বললেন রাহুল, ‘আপনারাই বন্ধু ছিল’, খোঁচা খাড়গের

লোভী এবং কাপুরুষেরাই কংগ্রেস ছেড়েছেন। এখন যাঁরা রয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই ‘সিংহ’। দলের বৈঠকে কথাগুলি বলছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই সময়েই হালকা মেজাজে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে রাহুলকে খোঁচা দিয়ে বলেন, যাঁরা দল ছেড়েছেন, তাঁরা সবাই রাহুলেরই ‘বন্ধু’। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে কংগ্রেসের বেশ কয়েক জন নেতা দল ছেড়েছেন। তাঁদের অনেকেই রাহুলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। 

 তরুণ কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (বর্তমানে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের মন্ত্রী), গুলাম নবি আজাদের মতো কয়েক জনের উদাহরণ টেনেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া তরুণ যুব কংগ্রেস ও ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে এক চা-চক্রে মিলিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখানে কথোপকথনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গুলাম নবি আজাদের মতো শীর্ষস্থানীয় নেতাদের দলত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তরুণ ও লড়াকু যুবনেতাদের উদ্দেশে রাহুল গান্ধী স্পষ্ট বলেন, ‘কাপুরুষ ও লোভী’ প্রকৃতির মানুষরা দল ছেড়ে চলে যাওয়ায় বর্তমানে কংগ্রেসে কেবল ‘সিংহ’ বা লড়াকু মানসিকতার নেতারাই অবশিষ্ট রয়েছেন। সেখানে খাড়গের এই রসিকতায় প্রথমে কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যান রাহুল।

বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। তাঁকে দেখিয়ে রাহুল বলেন, “আমার বোন এখানে বসে রয়েছে। ও জানে, তিনি (সিন্ধিয়া) আমার বন্ধু নন।” এই সূত্রে ঠাকুমা ইন্দিরা গন্ধীর থেকে পাওয়া শিক্ষার স্মৃতিচারণ করেন রাহুল। বলেন, “আমার রাজনৈতিক শিক্ষা আমার ঠাকুমার কাছে। এক বার তাঁকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তোমার প্রিয় বন্ধু (বেস্ট ফ্রেন্ড) কে? তিনি বলেছিলেন, তাঁর কোনও প্রিয় বন্ধু নেই। এক মহিলার নাম বলেছিলাম আমি, যিনি প্রায়ই আমাদের বাড়ি আসতেন। জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘উনি কি তোমার প্রিয় বন্ধু নন?’ ঠাকুমা উত্তর দেন, ‘না, আমি তাঁর প্রিয় বন্ধু হতে পারি, কিন্তু তিনি আমার প্রিয় বন্ধু নন’।”

রাহুলের যুক্তি, ঠাকুমার সঙ্গে সেই আলাপচারিতা থেকেই শিক্ষা নিয়েছিলেন তিনি। খাড়গেকে তিনি বলেন, “আমি একজন রাজনৈতিক মানুষ। যাকে আমার বন্ধু বলে মনে হয়, হয়তো তিনি আমার বন্ধু নন। আবার যাঁকে দেখলে আমার শত্রু মনে হয়, হয়তো তিনি সেই অর্থে আমার শত্রুও নন।” প্রসঙ্গত, বর্তমানে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া নরেন্দ্র মোদি সরকারের একজন মন্ত্রী। ২০২০ সালের শুরুতেই তিনি কংগ্রেসের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ছাড়ার আগে পর্যন্ত তিনি রাহুলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে পরিচিত ছিলেন।

Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin India (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language