Hashtagintro

বাবর-ইনজামামদের ‘নাপসন্দ’, ওয়াকারের পছন্দ তালিকায় ভারতীয়রা, কী বলছেন বুমরাহকে নিয়ে? 

ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের নিয়ে সর্বকালের সেরা সম্মিলিত একাদশ বেছে নিতে বসে চমকে দিলেন ওয়াকার ইউনিস। দুই দেশের একাধিক তারকা ক্রিকেটারের মধ্যে থেকে বাছাইয়ের সুযোগ থাকলেও পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসারের পছন্দের তালিকায় জায়গা পেলেন মাত্র একজন পাক ক্রিকেটার। বাকি সব ক্ষেত্রেই তাঁর পছন্দ ভারতীয় তারকারা। তবে জশপ্রীত বুমরাহকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করতে ছাড়েননি ইউনিস। 

সম্প্রতি শুভঙ্কর মিশ্রর পডকাস্টে হাজির হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক। সেখানে র‍্যাপিড ফায়ার পর্বে ভারত ও পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটারের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে বলা হয় তাঁকে। একের পর এক প্রশ্নে নিজের পছন্দের কথা জানিয়েছেন ওয়াকার। যা শুনে চমকে যাবেন অনেকেই। শচীন তেণ্ডুলকর ও ইনজামাম উল হকের মধ্যে তাঁর পছন্দ লিটল মাস্টার। বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের তুলনাতেও এগিয়ে রেখেছেন কোহলিকে। শাহিন আফ্রিদির বদলে জশপ্রীত বুমরাহ। ইউনিস খানের পরিবর্তে রাহুল দ্রাবিড় এবং জাভেদ মিয়াঁদাদের বদলে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বেছে নিয়েছেন তিনি।

তালিকায় রয়েছেন আরও একাধিক ভারতীয় তারকা। রোহিত শর্মা ও ফখর জামানের মধ্যে ওয়াকারের পছন্দ রোহিত। ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে মিসবাহ উল হকের তুলনায় এগিয়ে রেখেছেন লক্ষ্মণকে। মহম্মদ আমিরের পরিবর্তে মহম্মদ শামিকেও বেছে নিয়েছেন প্রাক্তন পাক পেসার। তবে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও সঈদ আনোয়ারের মধ্যে তাঁর পছন্দ আনোয়ার। ফলে একাধিক ভারতীয় তারকাকে বেছে নিলেও পাকিস্তানের একমাত্র প্রতিনিধি হিসাবে জায়গা পেয়েছেন আনোয়ার। র‍্যাপিড ফায়ার পর্বে উঠে আসে ১৫ বছর বয়সি বিস্ময় প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশী এবং পাকিস্তানের ২০ বছর বয়সি ক্রিকেটার সামির মিনহাসের নামও। এক্ষেত্রে কাউকেই বেছে নেননি ওয়াকার। তাঁর বক্তব্য, দু’জনকে আরও খেলতে হবে। তাই তাঁদের মধ্যে কাউকে বেছে নেওয়া ঠিক হবে না।

অন্যদিকে ওয়াকার মনে করেন, টেস্ট ক্রিকেটে এখনও নিজেকে আরও প্রমাণ করতে হবে জশপ্রীত বুমরাহকে। লাল বলের ক্রিকেটে ৫২টি টেস্টে ২৩৪টি উইকেট নিয়েছেন ভারতীয় পেসার। তা সত্ত্বেও বুমরাহর টেস্ট অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম বলেই মনে করছেন ওয়াকার। তিনি বলেন, “সাদা বলের ক্রিকেটে বুমরাহর সমকক্ষ কেউ নেই। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ক্ষেত্রে ছবিটা আলাদা। এই ফরম্যাটে ওকে এখনও অনেক কিছু প্রমাণ করতে হবে। বুমরাহ খুব বেশি টেস্ট খেলেনি। লাল বলের ক্রিকেটে মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউডের মতো অনেক ভালো বোলার রয়েছে। ইংল্যান্ডেরও কয়েকজন বোলার রয়েছে, যাঁদের কোনওভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।”

তবে ওয়াকারের মন্তব্যের পরেও টেস্টে বুমরাহর কৃতিত্বকে খাটো করা যায় না। মাত্র ১১টি টেস্টে ৫০ উইকেট নিয়ে দ্রুততম ভারতীয় পেসার হিসাবে নজির গড়েছিলেন তিনি। ১০০ উইকেটের মাইলফলকেও পৌঁছন মাত্র ২৪টি ম্যাচে। ২০২৪ সালে লাল বলের ক্রিকেটে দুরন্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসাবে আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের পুরস্কারও জেতেন বুমরাহ। তবে চোট এবং ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে টেস্টে নিয়মিত খেলতে পারেননি তিনি। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত একটিও টেস্ট খেলেননি ভারতীয় পেসার। স্টার্ক ও হ্যাজেলউডের মতো বোলারদের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে বুমরাহর টেস্টে অনিয়মিত উপস্থিতিকেই কি গুরুত্ব দিয়েছেন ওয়াকার?

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language