Hashtagintro

আটকে ছিল তৃণমূল জমানায়! পালাবদলে নতুন ২৯টি মহিলা থানা পেতে চলেছে বাংলা, জারি বিজ্ঞপ্তি

নারী সুরক্ষায় আরও জোর পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূল জমানায় প্রায় ৩ বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্য পুলিশের পড়ে থাকা প্রস্তাবে সিলমোহর দিল সরকার। বাংলায় আরও ২৯টি নতুন মহিলা থানা তৈরি হবে। চলতি বছর রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে প্রতি মহকুমায় মহিলা থানা গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণা মতো গত ৩০ অক্টোবর জারি হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। এরপরই মহিলা থানা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে দিল স্বরাষ্ট্র দপ্তর।

রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত সরকারের সময় একেবারে গোড়ার দিকেই রাজ্যে আরও বেশি মহিলা থানার প্রস্তাব দেয় পুলিশ। আসানসোল- দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে ২০১২ সালে প্রথম মহিলা থানা আসানসোল শহরের গান্ধী মোড়ের কাছে হলেও পরবর্তীকালে এই কাজে সেভাবে গতি ছিল না। ধাপে ধাপে বর্তমানে ৪০টি মহিলা থানা রয়েছে রাজ্যে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে রাজ্য পুলিশের তরফে নতুন করে ১৬টি মহকুমায় ২০টি নতুন মহিলা থানার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। পালাবদল হতেই একেবারে মহকুমাভিত্তিক ২৯টি নতুন মহিলা থানা তৈরি হচ্ছে। তার মধ্যে কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমানে সবচেয়ে বেশি ৩ টি করে মহিলা থানা তৈরি হতে চলেছে। দার্জিলিং, হুগলি, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়াতে ২ টি করে থানা হবে। একটি করে থানা হচ্ছে বাঁকুড়া, বীরভূম, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও উত্তর দিনাজপুরে।

মহকুমা ভিত্তিক ওই থানাগুলি হবে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, বীরভূমের রামপুরহাট, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ, তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙা, দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর, দার্জিলিঙের কার্শিয়াং, মিরিকে। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলার মধ্যে চুঁচুড়া ও চন্দননগর, জলপাইগুড়ির মালবাজার, ধুপগুড়ি, মালদহের চাঁচল, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, কান্দি, লালবাগ, নদিয়ায় রানাঘাট পুলিশ জেলার কল্যাণী, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার তেহট্ট, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলার বসিরহাট, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান সদর সাউথ, কালনা, কাটোয়া মহিলা থানা পাবে। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা, তমলুক, পুরুলিয়ার ঝালদা, মানবাজার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ ও উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরেও তৈরি হবে মহিলা থানা।

রাজ্যে নতুন ২৯টি থানা হলে নিয়োগের সংখ্যাও বাড়বে। এই মহিলা থানাগুলিতে একজন করে ইন্সপেক্টর ৬ থেকে ৭ জন করে সাব ইন্সপেক্টর, ৮ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর ও ২০ জন লেডি কনস্টেবলের প্রস্তাব রয়েছে। তবে বর্তমানে মহিলা থানাগুলিতে ৩ জন করে সাব ইন্সপেক্টর, ৫ জন করে অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর ও ১০ জন করে লেডি কনস্টেবল আছে। ১৯৭৩ সালে কেরালার কোঝিকোড়ে দেশের প্রথম মহিলা থানা হয়। ভানিথা নামে ওই মহিলা থানার উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language